
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে প্রতিবন্ধী ভাতার সুবর্ণ কার্ড করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি সৈয়দা তামিমা খাতুন (৪৫) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) উপজেলার তর্পনঘাট গ্রামে তার বাবার বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার তামিমা ওই গ্রামের আফজাল হোসেনের মেয়ে। ভুক্তভোগী সাহাবুর রহমানের দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার অপর আসামি শওকত আলী (৫৪)কে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদীর শারীরিক প্রতিবন্ধী বাবা লুৎফর রহমানের প্রতিবন্ধিতা শনাক্তকরণ ও প্রতিবন্ধী ভাতার সুবর্ণ কার্ড করে দেওয়ার আশ্বাস দেন অভিযুক্তরা। এ জন্য চিকিৎসকের স্বাক্ষরযুক্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও কার্ডের ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথা বলে বাদীর বাবা এবং একই এলাকার সাহাবুল আলমের কাছ থেকে দুই দফায় মোট ৫ হাজার ৩০০ টাকা নেন তারা। পরে অভিযুক্তরা একটি প্রতিবন্ধী সনদ, চিকিৎসা প্রতিবেদন ও প্রত্যয়নপত্র সরবরাহ করেন। সেসব কাগজপত্র উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে জমা দিলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সেগুলো ভুয়া বলে শনাক্ত করেন।বাদীর অভিযোগ, একই চক্রের সদস্যরা প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষের কাছ থেকেও টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। সর্বশেষ গত ২ আগস্ট উর্মি খাতুন নামে এক নারীর কাছ থেকে চিকিৎসা প্রতিবেদন ও প্রয়োজনীয় প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহের আশ্বাস দিয়ে এক হাজার টাকা নেওয়া হয়। এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল কুদ্দুস জানান, প্রতিবন্ধী কার্ড করে দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তে অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
Leave a Reply