
দিনাজপুরের ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলন শুরুর দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানিয়ে এবং দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কয়লাখনি বাস্তবায়নের দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল ৯টায় বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি সংলগ্ন ৯ নম্বর হামিদপুর ইউনিয়নের বৈগ্রাম চার রাস্তার মোড়ে ‘ফুলবাড়ী কয়লাখনি এলাকার সর্বস্তরের জনগণ’-এর ব্যানারে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন এলাকার চার শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মো. জাকারিয়া হোসেন নয়ন। তিনি বলেন, ফুলবাড়ী কয়লাখনি থেকে দ্রুত কয়লা উত্তোলন শুরুর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, তাঁর বাবা স্থানীয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান কালাম এলাকার উন্নয়ন ও কয়লাখনি বাস্তবায়নে কাজ করেছেন। বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির কারণে ইতোমধ্যে এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। ফুলবাড়ী কয়লাখনির মুখ বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ৯ নম্বর হামিদপুর ইউনিয়নের বৈগ্রাম এলাকায় অবস্থিত। তাই বৈগ্রাম থেকেই দ্রুত কয়লা উত্তোলন শুরুর দাবি জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, ফুলবাড়ী কয়লাখনি শুধু ফুলবাড়ী নয়, পার্বতীপুর, ফুলবাড়ী, বিরামপুর ও নবাবগঞ্জ—এই চার উপজেলার বিস্তৃত এলাকায় অবস্থিত। দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে এ কয়লাখনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কয়লা উত্তোলন শুরু হলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বেকারত্ব হ্রাস এবং জাতীয় অর্থনীতির গতি বাড়বে। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার আলোকে দ্রুত ফুলবাড়ী কয়লাখনি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি। এ সময় ফুলবাড়ী ও বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি বাস্তবায়নের পক্ষে আরও বক্তব্য দেন মো. আব্দুল কাদের, মো. আব্দুল আজিজ ও মো. বিপ্লব হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। আয়োজকদের দাবি, মানববন্ধনে সরাসরি চার শতাধিক মানুষ অংশ নেন। এ ছাড়া কর্মসূচি দেখতে দুই সহস্রাধিক মানুষ দর্শক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। শান্তিপূর্ণভাবে মানববন্ধন কর্মসূচি শেষ হয়।
পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
Leave a Reply