
গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১০ লিটার দেশীয় মদসহ বিভিন্ন মামলার সাত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১০ লিটার দেশীয় মদসহ মাদক মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন—মো. সাইফুল ইসলাম (৪৫) ও মো. মামুন (৩০)। সাইফুল ইসলামের পিতার নাম মৃত আফাজ উদ্দিন। তার স্থায়ী ঠিকানা টাঙ্গাইলের ঘাটাইল থানার কুশারিয়া গ্রাম। তিনি বর্তমানে বাসন সড়কে মনিরের বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। অপর আসামি মামুনের পিতার নাম মৃত নুর আমীন। তার স্থায়ী ঠিকানা রংপুরের মিঠাপুকুর থানার শেরোডাঙ্গা গ্রাম। বর্তমানে তিনি বাসন থানার ভোগড়া পেয়ারা বাগান এলাকায় মিজানের বাসায় ভাড়া থাকতেন। এদিকে, পুলিশ আক্রান্ত মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন হিসেবে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন—মো. কামরুল হাসান (২০), মো. মুন্না (৩০) ও মো. ফেরদৌস (৪২)। কামরুল হাসানের পিতার নাম আব্দুল কাদির। তার বাড়ি শেরপুরের নালিতাবাড়ী থানার মায়াঘাসী গ্রামে। তিনি বর্তমানে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানার কালিরহাত এলাকায় বসবাস করতেন। মুন্নার পিতার নাম মেসের আলী। তার বাড়ি জয়পুরহাটের পাঁচবিবি থানার দিবাকরপুর গ্রামে। ফেরদৌসের পিতার নাম আব্দুল আওয়াল। তার বাড়ি জামালপুরের মেলান্দহ থানার মাহমুদপুর আদবাড়িয়া গ্রামে। অন্যদিকে, জিএমপি অধ্যাদেশের প্রসিকিউশন মামলায় আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হলেন—মো. আব্দুল কুদ্দুস (৪২) ও মো. আহসান হাবিব আশিক (২১)। আব্দুল কুদ্দুসের পিতার নাম মো. আব্দুল জব্বার। তার স্থায়ী ঠিকানা দিনাজপুরের কাহারোল থানার উচিতপুর গ্রাম। বর্তমানে তিনি বাসন থানার টেকনগপাড়া এলাকায় শামীম মন্ডলের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। আহসান হাবিব আশিকের পিতার নাম মৃত বাবুল হোসেন। তার বাড়ি গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানার গজারিয়া (ছোট কাঞ্চনপুর) গ্রামে। বর্তমানে তিনি বাসন থানার টেকনগপাড়া এলাকায় রফিক মিয়ার পাশের বাড়িতে বসবাস করতেন। বাসন থানা পুলিশ জানায়, বিশেষ অভিযানে মাদক মামলার দুই আসামি, পুলিশ আক্রান্ত মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন তিনজন এবং জিএমপি অধ্যাদেশের প্রসিকিউশন মামলার দুই আসামিসহ মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
Leave a Reply