
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে বিভিন্ন সময়ে উদ্ধার করা ২২ কোটি ২৯ লাখ টাকার ইয়াবা ট্যাবলেট ধ্বংস করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ধ্বংস করা ইয়াবার পরিমাণ ৭ লাখ ৪৩ হাজার ৫৮ পিস। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এসব মাদকদ্রব্য ধ্বংস করা হয়। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৪ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের বিভিন্ন বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। ধ্বংস করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ২২ কোটি ২৯ লাখ ১৭ হাজার ৪০০ টাকা। বিজিবির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা, ক্রিস্টাল মেথ (আইস), হেরোইন ও গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে ১১ বিজিবি। মাদকের অনুপ্রবেশ রোধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। এতে আরও বলা হয়, বিজিবি মহাপরিচালকের দিকনির্দেশনা এবং কক্সবাজার রিজিয়ন ও রামু সেক্টর সদর দপ্তরের তত্ত্বাবধানে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচার প্রতিরোধে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকদ্রব্য ধ্বংসকরণ অনুষ্ঠানে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির, উপ-অধিনায়ক মেজর তাহ্সিন উদ্দিন মাহমুদ, সহকারী পরিচালক মো. পারভেজ শামীম, বান্দরবানের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটসহ বিজিবির অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বিজিবির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) মোট ৭৩ কোটি ১১ লাখ ৫৪ হাজার ৭৭৯ টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য মালামাল জব্দ করেছে। এ সময় ৪৪ জন আসামিকে আটক করা হয়। সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ, জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে ১১ বিজিবির কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
Leave a Reply