1. online@cnbtvbd.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. wpsvc_6eb0338d2040@wordpress-svc.internal : wpsvc_6eb0338d2040 :
  3. admin@cnbtvbd.com : admin :
August 24, 2026, 5:51 am

ভূমধ্যসাগরে খাবার-পানি ছাড়া ১১ দিন, ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • Update Time : সোমবার, আগস্ট ১৭, ২০২৬
  • 39 Time View

ভূমধ্যসাগরের একটি রাবার ডিঙি নৌকায় প্রায় ১১ দিন খাবার ও পানি ছাড়া ভেসে থাকা অন্তত ১১ জন অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে নয় জনই বাংলাদেশি। এছাড়াও আরও প্রায় ৩১ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে মিশরের নিরাপত্তা বাহিনী। জীবিত উদ্ধার হওয়াদের মধ্যেও ২৯ জন বাংলাদেশি নাগরিক বলে জানা গেছে। মিশরের রাজধানী কায়রোতে বাংলাদেশ দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি (শ্রম) মো. জাকির হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দূতাবাসের কর্মকর্তারা স্থানীয় পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছেন। পরে তারা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বেঁচে যাওয়া সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাথারিয়া গ্রামের আবদুল করিমের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। দূতাবাসকে দেওয়া করিমের তথ্য অনুযায়ী, গত ৩ আগস্ট ৪২ জন যাত্রী লিবিয়া থেকে গ্রিসের উদ্দেশে রওনা হন। পরে ভূমধ্যসাগরে নৌকাটি ভেঙে যায় এবং এবং জ্বালানি শেষ হয়ে যায়। এরপর প্রায় ১১ দিন সাগরে ভেসে থাকার পর ১৩ আগস্ট তারা মিশরের মারসা মাতরুহ উপকূলে পৌঁছান। জাকির হোসেন বলেন, স্থানীয় লোকজন নৌকাটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে প্রায় ২৯-৩০ জনকে উদ্ধার করে নিরাপত্তা বাহিনী। তাদের অনেকেই অচেতন ছিলেন। তাদের দুটি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়েছে। বেঁচে যাওয়া যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলতে দূতাবাস অনুমতি চেয়েছে। এই সুযোগ পাওয়া গেলে আরও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে বলে জানান তিনি। যাত্রীদের মৃত্যুর বিষয়ে জাকির হোসেন বলেন, ‘ওই বাংলাদেশি যাত্রী দূতাবাসকে জানিয়েছেন যে, খাবার ও পানির অভাব এবং প্রচণ্ড গরমে তারা ১০ সহযাত্রী মারা যান। তাদের মরদেহ সাগরে ফেলে দিতে হয়। তবে তিনি বলেন, ‘মিশরের পুলিশ দূতাবাসকে জানিয়েছে, ভূমধ্যসাগরে কোনো মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করার মতো তথ্য তাদের কাছে নেই। ফার্স্ট সেক্রেটারি জাকির হোসেন জানান, ওই যাত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জন বাংলাদেশি এবং চারজন সুদানের নাগরিক ছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবদুল করিমের একটি ভিডিও ইতিমধ্যে ছড়িয়ে গেছে। ভিডিওতে তিনি বলেন, ৪২ জন গ্রিসের উদ্দেশে যাত্রা করার পর কাছাকাছি গিয়ে নৌকার ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে যায়। ফলে তারা আর এগোতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘নৌকায় কোনো খাবার বা পানি ছিল না। নয় বাংলাদেশি তাদের চোখের সামনে মারা যান। পরে আরও দুজন মারা যান। তাদের মরদেহ সাগরে ফেলে দিতে হয় বলেও জানান করিম।’ দীর্ঘ সময় সাগরে থাকার পর বেঁচে যাওয়া যাত্রীদের শারীরিক অবস্থার অবনতির কথাও জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Design By Raytahost