
মেহেরপুর জেলার গাংনীতে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে অপহরণ ও ধর্ষণের দায়ে আলমাস হোসেন (৪৬) নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। এবং ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মেহেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মো. তাজুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। কারাদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত আলমাস হোসেন গাংনী উপজেলার কচুখালী গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পারভিন সুলতানা মামলার বিবরণ দিয়ে জানান, গাংনী উপজেলার কচুঁইখালী গ্রামের আলমাসের স্ত্রী থাকার পরও ২০২২ সালের ২২ নভেম্বর গাংনী উপজেলার ভাটপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তাকে তুলে নিয়ে যায়। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে না পেয়ে ২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে আলমাস হোসেন, রেজাউল হকের ছেলে ওসমান আলী, মো. কায়মুদ্দিনের ছেলে জাহাঙ্গীর আলমকে আসামি করে গাংনী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রাথমিক তদন্ত শেষে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে মর্মে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় মোট ১৩ জন সাক্ষি সাক্ষ্য প্রদান করেন। এতে আলমাস দোষী প্রমাণিত হওয়ায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ হিসেবে গণ্য হবে। আসামির বর্তমান সম্পদ থেকে তা আদায় সম্ভব না হলে ভবিষ্যতে অর্জিত সম্পদ থেকেও আদায় করা যাবে। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন পাবলিক প্রসিকিউটর পারভিন সুলতানা এবং আসামিপক্ষে আইনজীবী গোলাম মোস্তফা।
পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
Leave a Reply