1. online@cnbtvbd.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. wpsvc_6eb0338d2040@wordpress-svc.internal : wpsvc_6eb0338d2040 :
  3. admin@cnbtvbd.com : admin :
November 7, 2026, 7:05 am

আলমডাঙ্গায় আওয়ামী লীগ নেতা লালুকে আটকের পর ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬
  • 86 Time View
আওয়ামী লীগ নেতা লালুর ফাইল ছবি

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার খাসকররা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোজাফফর হোসেন লালুকে আটকের পর ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মোজাফফর হোসেন লালু কাবিলনগর গ্রামের মৃত ছরাফের মণ্ডলের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সাদা পোশাকে পুলিশ পরিচয়ে কয়েকজন ব্যক্তি মোজাফফর হোসেন লালুকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যান। পরে দুপুরের দিকে তাকে নিজ বাড়িতে ফিরে আসতে দেখা যায়। এরপর থেকেই তাকে আটকের পর ছেড়ে দেয়া এবং এর পেছনে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ নিয়ে এলাকায় আলোচনা শুরু হয়। স্থানীয় খাসকররা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শিমুল জানান, ‘সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সাদা পোশাকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে মোজাফফর হোসেন লালুকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে দুপুরে তিনি আবার বাড়িতে ফিরে আসেন। তিনি একজন সক্রিয় আওয়ামী লীগ নেতা এবং তার বিরুদ্ধে এলাকায় বেশ কয়েকটি দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।’
এ বিষয়ে তিয়রবিলা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আসাদুজ্জামান আসাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মোজাফফর হোসেন লালুকে গ্রেফতার করা হয়নি; বরং একটি অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে কেবল হেফাজতে নেয়া হয়েছিলো। পরে তিনি অসুস্থতাবোধ করলে তাকে আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (হারদী হাসপাতাল) নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয় এবং পরিবারের লোকজনের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়। আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এই বিষয়ে অবগত আছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে এসআই আসাদুজ্জামান জানান, ‘বিষয়টি ওসির স্যার জানেন।’ তবে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য তিনি ওই প্রতিবেদককে অনুরোধ জানান।
অন্যদিকে, এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সম্পূর্ণ ভিন্ন তথ্য দেন। তিনি জানান, মোজাফফর হোসেন লালুকে আটক বা ছেড়ে দেয়ার বিষয়ে তার কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। এদিকে, একজন ব্যক্তিকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া, পরে চিকিৎসা শেষে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া এবং এ বিষয়ে থানার ওসির কাছে তথ্য না থাকার বক্তব্যকে ঘিরে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেয়ার যে অভিযোগ উঠেছে, তারও কোনো সত্যতা এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Design By Raytahost