
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম তাঁকে বিজয়ী ঘোষণা করেন। রাত সোয়া ৯টার দিকে ১৮৫ কেন্দ্রের সবকটির ফল ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ভাই বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফয়সল আমীন পেয়েছেন ২ লাখ ২৭ হাজার ৭৮৯। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে দেলাওয়ার হোসেন পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৪৫ ভোট। অর্থাৎ, মির্জা ফয়সল আমীন ১ লাখ ৩১ হাজার ৭৪৪ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ আসনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ২১ প্লাটুন বিজিবি, ২ হাজার ২৭২ জন পুলিশ সদস্য ও ২ হাজার ৪০৫ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি, বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে ছিলেন। চারজন বিদেশি পর্যবেক্ষকসহ ১৭৭ জন দেশি ও স্থানীয় পর্যবেক্ষকের নির্বাচনী কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করার কথা ছিল। এ উপনির্বাচনে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন ছাড়াও ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি দেলাওয়ার হোসেন (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খাদেমুল ইসলাম (হাতপাখা), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আব্দুল আলীম নিজামী (বটগাছ) এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক (ডাব)। ঠাকুরগাঁও-১ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন। তাঁদের মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৬৮ জন, নারী ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৬৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার চারজন। গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরে এ আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
Leave a Reply