1. online@cnbtvbd.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. wpsvc_6eb0338d2040@wordpress-svc.internal : wpsvc_6eb0338d2040 :
  3. admin@cnbtvbd.com : admin :
November 7, 2026, 10:01 am

ডাবলু হত্যা মামলা: ঘটনাস্থল পরিদর্শনে সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬
  • 10 Time View

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সেনা হেফাজতে নিহত পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু হত্যা মামলার তদন্তে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সিআইডির খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অতিরিক্ত ডিআইজি মাসুদুর রহমান। বুধবার সকাল ৯টার দিকে তাঁর নেতৃত্বে সিআইডির একটি প্রতিনিধিদল জীবননগরে পৌঁছে ডাবলুকে আটকের স্থান এবং তাঁকে আটকে রাখা হয়েছিল বলে উল্লেখ করা স্থানগুলো পরিদর্শন করে। এ সময় তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিভিন্ন তথ্য ও আলামত সংগ্রহ করেন। পরিদর্শনকালে নিহত ডাবলুর পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন জীবননগর পৌর বিএনপির সহসভাপতি তাজুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শফিউদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মঈন উদ্দীন ময়েন, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন ইকবাল ঠান্ডু এবং পৌর যুবদলের আহ্বায়ক হযরত আলী। গত ১২ জানুয়ারি রাতে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হাফিজা ফার্মেসি থেকে ডাবলুকে চুয়াডাঙ্গা সেনা ক্যাম্পের একটি দল হেফাজতে নেয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পর তাঁকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ওই রাতেই হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ করেন দলীয় নেতাকর্মীরা। পরদিন সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাসের পর ময়নাতদন্তের জন্য তাঁর মরদেহ চুয়াডাঙ্গায় নেওয়া হয়। ময়নাতদন্তে ডাবলুর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। ময়নাতদন্তে নেতৃত্ব দেওয়া চিকিৎসক ডা. এহসানুল হক তন্ময় জানান, সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ করা আঘাতের চিহ্নের সঙ্গে মরদেহে পাওয়া দাগের মিল রয়েছে এবং সেগুলো পরস্পরের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর গত ১৯ জুন আদালতে নয়জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করা হয়। মামলায় চুয়াডাঙ্গা আর্মি ক্যাম্পের তৎকালীন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফাহাদকে এক নম্বর আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া ক্যাপ্টেন সৌমিকসহ আরও আটজনকে আসামি করা হয়েছে। ডাবলুর স্ত্রী জেসমিন আক্তার বলেন, “আমার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমার তিনটি মাসুম সন্তানকে এতিম করা হয়েছে। আমি এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার চাই।” মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে সিআইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার ঘটনাস্থল পরিদর্শনকে তদন্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Design By Raytahost