
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা বাজারে একটি সার ও বীজের গোডাউনে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ৫০০ বস্তা সার জব্দ করেছে পুলিশ। অবৈধভাবে সার মজুদের অভিযোগে গোডাউনটি সিলগালা করা হয়েছে। এ ঘটনায় গোডাউনের মালিক হাসানুজ্জামান নাঈমকে পলাতক আসামি দেখিয়ে দামুড়হুদা মডেল থানায় লিখিত এজাহার দিয়েছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা। এদিকে, অভিযানের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নাঈমের পরিবারের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ তুলেছে উপজেলা জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর দামুড়হুদা উপজেলার নতুন হাউলী গ্রামে অবস্থিত নাঈম অটো মোবাইল ও বীজ ভান্ডারের গোডাউনে এ অভিযান চালানো হয়। উপজেলা প্রশাসন, কৃষি বিভাগ ও থানা পুলিশ অভিযানে অংশ নেয়। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে থানা পুলিশ অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে। জব্দ করা সারের মধ্যে রয়েছে ৩৭০ বস্তা টিএসপি, ১ হাজার ১২০ বস্তা ডিএপি ও ১০ বস্তা এমওপি সার। গোডাউনের মালিক হাসানুজ্জামান নাঈম দামুড়হুদা উপজেলার দশমী গ্রামের মৃত মফিজুল হক ওরফে মফির ছেলে। অভিযানের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নাঈমের মা জামায়াতের রুকন এবং নাঈমকে ওই রুকনের ছেলে হিসেবে উল্লেখ করে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দামুড়হুদা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আবেদ উদ দৌলা টিটন।
তিনি বলেন, দামুড়হুদা বাজারের সার ব্যবসায়ী নাঈমের গোডাউনে অভিযান চালানোর পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর মা জামায়াতে ইসলামীর রুকন বলে প্রচার করা হচ্ছে। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মেজবাহ উদ্দিন বলেন, অবৈধভাবে সার মজুদের অভিযোগে নতুন হাউলী গ্রামে নাঈম বীজ ভান্ডারের গোডাউনে অভিযান চালিয়ে দেড় হাজার বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। পরে গোডাউনটি সিলগালা করা হয়। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণ সরকার বলেন, অবৈধভাবে মজুদ করা সার জব্দের সময় তিনি ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তী আইনগত বিষয়টি পুলিশ দেখছে। দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজ্জাদ হোসেন বলেন, তাঁরা অভিযান পরিচালনা করেননি; পুলিশ অভিযান চালিয়েছে। তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। অভিযানকালে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণ সরকার, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আশফাকুর রহমানসহ থানা পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিল।
পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
Leave a Reply