
খুলনার ডুমুরিয়ায় জবাই করা ঘোড়ার মাংসসহ আনিসুর রহমান ওরফে পলাশ (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে র্যাব-৬। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। অভিযানে প্রায় তিন মণ মাংস ও একটি জীবিত ঘোড়া উদ্ধার করা হয়। শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার কাঞ্চনপুর পোড়াবাড়ি এলাকার ‘সাউথ বেঙ্গল ক্যাটল ফার্মে’ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়। পরে ডুমুরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানার নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। আদালত ‘পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৯’-এর ১৬(ক) ধারায় পলাশকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। বিচারকাজ শেষে জব্দ করা মাংস মাটিতে পুঁতে বিনষ্ট করা হয়। উদ্ধার করা জীবিত ঘোড়াটি স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
র্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাজাপ্রাপ্ত পলাশ স্বীকার করেছেন, তাদের চক্রটি এর আগেও অন্তত ১৬টি ঘোড়া জবাই করে সেই মাংস গরু বা খাসির মাংস বলে বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁয় বিক্রি করেছে। র্যাব-৬ সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাইন উদ্দীন মো. জিয়াদ জানান, চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল। এ ধরনের অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. আশরাফুল কবির বলেন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে জবাই করা এসব মাংস জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানা জানান, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের আইনি পদক্ষেপ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
Leave a Reply