
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় মাদকবিরোধী পৃথক অভিযানে ট্যাপেন্টাডল ও ইয়াবার গুঁড়াসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে মাফুজ (২১)-কে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড এবং সুজ্জল হোসেন (২৮)-কে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন সামারি ট্রায়াল কোর্ট। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের আরও সাত দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। অপর দুই আসামিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান চলমান রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে আলমডাঙ্গার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়।ওসমানপুর পুলিশ ক্যাম্পের এসআই নবাব আলী সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে হারদী গ্রামের চেয়ারম্যানপাড়ায় অভিযান চালিয়ে শরিফুল ইসলামের ছেলে মাফুজ (২১)-কে গ্রেপ্তার করেন। এ সময় তার কাছ থেকে আটটি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। অপর অভিযানে আলমডাঙ্গা থানার এসআই এসএম নিয়ামুল হক সঙ্গীয় অফিসারদের নিয়ে কামালপুর চরপাড়ায় অভিযান চালিয়ে আজিজুল হকের বাড়ির দ্বিতীয় তলা থেকে আবুল কাশেমের ছেলে সুজ্জল হোসেন (২৮)-কে গ্রেপ্তার করেন। তার কাছ থেকে ০.১ গ্রাম ইয়াবা ট্যাবলেটের গুঁড়া, ফয়েল পেপার, তিনটি গ্যাস লাইট, দুটি ইয়াবা সেবনের কাঠি ও তিনটি বোতলের মুটকি উদ্ধার করা হয়।এদিকে এসআই মো. শাহরিয়ার হুসাইন রুবেল সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিশেষ অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলার তদন্তে প্রাপ্ত সন্দিগ্ধ আসামি হাউসপুর গ্রামের জামিরুল ইসলামের ছেলে আব্দুস সালাম (৩০) ও পুরাতন বাজার রথতলা এলাকার সোলাইমান হোসেনের ছেলে নাহিদ হাসান (২১)-কে গ্রেপ্তার করেন। পুলিশ জানায়, আব্দুস সালাম ও নাহিদ হাসানকে আলমডাঙ্গা থানার মামলা নং-০১, তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অপরদিকে, মাফুজ ও সুজ্জল হোসেনকে সামারি ট্রায়াল কোর্টে তাৎক্ষণিক বিচারের জন্য পাঠানো হলে আদালত মাফুজকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং সুজ্জল হোসেনকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
Leave a Reply