
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বান্দরবান জেলা বিএনপির সদস্যসচিব জাবেদ রেজা বলেছেন, “বিএনপির কাছে সকল ধর্মের মানুষ নিরাপদ। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অধিকার নিশ্চিত করতে বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায় নাইক্ষ্যংছড়ির কুঞ্জবন বৌদ্ধবিহারে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী বড়ুয়া সম্প্রদায়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বক্তব্যে জাবেদ রেজা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী দর্শনের কথা তুলে ধরে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে ১৪টি জাতিগোষ্ঠীকে নিয়ে সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তিনি পার্বত্য অঞ্চলে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। এর আগে দুপুর ১২টার দিকে দুই শতাধিক মোটরসাইকেলের শোভাযাত্রাসহ হিন্দু-বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মানুষ ও বিএনপির নেতাকর্মীরা নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁকে অভ্যর্থনা জানিয়ে উপজেলা সদরে নিয়ে আসেন। পরে তিনি নাইক্ষ্যংছড়ি কেন্দ্রীয় শ্রীশ্রী হরি মন্দির পরিচালনা কমিটির মতবিনিময় সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন। কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা পরিষদের সদস্য জসিম উদ্দিন তৃষা, চনু মং মারমা, মাও সেতুং তঞ্চঙ্গ্যা, অ্যাডভোকেট উমে চিং মারমা, সাবেক পৌর কাউন্সিলর মো. আয়োব, বান্দরবান জেলা বিএনপির সদস্য সেলিম রেজা, বান্দরবান কেন্দ্রীয় শ্রীশ্রী দুর্গা মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক লিটল বিশ্বাস, জেলা বিএনপির সদস্য আরিফ উল্লাহ চুট্টু, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলিম বাহাদুর, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক নুরুল আবছার সোহেল এবং সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মৌলানা সোমলতা আহমদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
Leave a Reply