
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মোমিনপুর ইউনিয়নের আমিরপুর-শৈলগাড়ী সড়কের জোড়াদহ মাঠে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতির শিকার ময়েজ আলী (৩০) আলমডাঙ্গা উপজেলার বাড়াদী ইউনিয়নের গোয়ালবাড়ি গ্রামের আমিরুল ইসলামের ছেলে। তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শৈলগাড়ী গ্রামে ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করেন এবং আলমডাঙ্গার একটি জুতার দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করেন। ময়েজ আলী জানান, রোববার রাতে তিনি আলমডাঙ্গা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শ্বশুরবাড়ি শৈলগাড়ীর উদ্দেশ্যে রওনা হন। রাত ৯টার দিকে আমিরপুর-শৈলগাড়ী সড়কের জোড়াদহ মাঠে পৌঁছালে ধারালো দা হাতে মুখোশধারী চারজন তার গতিরোধ করে। এ সময় অস্ত্রের মুখে তাকে জিম্মি করে রাস্তার পাশে একটি বটগাছের নিচে নিয়ে যায় তারা। পরে ডাকাতরা তার হোন্ডা লিভো ১১০ সিসি মোটরসাইকেল, নগদ ১৬০ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন লুট করে নেয়। এরপর তাকে রাস্তা থেকে কিছুটা দূরে ধানক্ষেতের পাশে একটি নিমগাছের সঙ্গে কাপড় দিয়ে হাত-পা ও মুখ-চোখ বেঁধে রেখে যায়। ময়েজ আলী বলেন, দীর্ঘ সময় মাঠের মধ্যে পড়ে থাকার পর তিনি প্রথমে মুখের বাঁধন খুলতে সক্ষম হন। পরে হাত ও চোখের বাঁধন খুলে শৈলগাড়ী গ্রামের দিকে দৌড়ে গিয়ে স্থানীয় কয়েকজনকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে গ্রামবাসী ঘটনাস্থলে গিয়ে কাউকে না পেয়ে পুলিশকে অবহিত করেন। সংবাদ পেয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মারুফ রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ডাকাতির শিকার ময়েজ আলীর সঙ্গে কথা বলেন। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি মারুফ রহমান বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ডাকাতির শিকার ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত জানা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
Leave a Reply