
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় বাল্যবিয়ের আয়োজন করায় মেয়ের মা ও ছেলের মামাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিয়ের আয়োজন করা হলে পরে প্রশাসন খোঁজ পেয়ে উপজেলার রামনগর নতুনপাড়ায় এ অভিযান চালান দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহীন আলম। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, রামনগর নতুনপাড়ার আবুল কালামের স্ত্রী ও কনের মা ময়না খাতুন (৪৫) নিজ বাড়িতে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের বিয়ের আয়োজন করেন। বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা প্রশাসনের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দেয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, রামনগর নতুনপাড়ার আবুল কালামের স্ত্রী ও কনের মা ময়না খাতুন (৪৫) নিজ বাড়িতে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের বিয়ের আয়োজন করেন। বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা প্রশাসনের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দেয়। পরে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭-এর ৮ ধারা অনুযায়ী কনের মা ময়না খাতুন এবং ছেলের মামা একই উপজেলার গোপালপুর গ্রামের গোলাম মস্তফার ছেলে সোহেল রানাকে (৩৬) মোট ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহীন আলম বাল্যবিয়ের কুফল ও আইনগত শাস্তির বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেন।অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দামুড়হুদা মডেল থানার দলিয়ারপুর পুলিশ ক্যাম্পের এএসআই ইব্রাহিম সঙ্গীয় ফোর্সসহ সহযোগিতা করেন। উপজেলা প্রশাসন জানায়, বাল্যবিয়ে একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। অপ্রাপ্তবয়স্কদের বিয়ে বন্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিতভাবে নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বাল্যবিবাহ আয়োজন বা এতে সহযোগিতা করার অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
Leave a Reply