1. online@cnbtvbd.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. wpsvc_6eb0338d2040@wordpress-svc.internal : wpsvc_6eb0338d2040 :
  3. admin@cnbtvbd.com : admin :
September 20, 2026, 6:43 pm

এশিয়ান গেমসে হাইব্রিড ভেন্যুতে খেলতে হবে লিটনদের

স্পোর্টস ডেস্ক
  • Update Time : শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬
  • 32 Time View

এশিয়ান গেমসের ক্রিকেটে এবার শক্তিশালী দল পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ। এই টুর্নামেন্ট তাই আগে থেকেই বাড়তি রোমাঞ্চ ছড়াচ্ছে। এই টুর্নামেন্টে অবশ্য হাইব্রিড স্টেডিয়ামে খেলতে হবে লিটন দাসের দলকে। জাপানের নিশিন শহরে তিনটি বেসবল মাঠের জায়গায় তৈরি হয়েছে নতুন এক সুবিধা, নাম করোগি স্পোর্টস পার্ক। এখানেই জাপান প্রথমবারের মতো দেখবে উচ্চমানের ক্রিকেট। চার বছর আগে হাংজুতে যে মাঠে ক্রিকেট হয়েছিল, নিশিনের এই মাঠ তার চেয়ে অনেক বড়। নিশিনে সবচেয়ে ছোট বাউন্ডারিও ৬৫ মিটার, যা হাংজুর মাঠের চেয়ে প্রায় ১০ মিটার বেশি লম্বা। এশিয়ান গেমসের ক্রিকেট বিভাগের কারিগরি পরিচালনা ব্যবস্থাপক অ্যাডাম বার্স বলেন, এটা সম্ভব হয়েছে কারণ আয়োজকেরা একদম নতুন করে মাঠ তৈরি করতে পেরেছেন। এতে তারা বেশি জায়গা ব্যবহার করার সুযোগ পেয়েছেন, যা হাংজুতে সম্ভব হয়নি। পিচ তৈরির কাজে সাহায্য নিতে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল যোগাযোগ করে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের সঙ্গে। তারা পাঠায় আসিথা বিজয়াসিংহেকে, যিনি ক্যান্ডির পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের কিউরেটর। পাল্লেকেলের পিচে সাধারণত অনেক রান ওঠে। তাই ধরে নেওয়া যায়, নিশিনের এই মাঠেও প্রচুর রান দেখা যাবে। ২০২৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের একাংশ যখন নিউইয়র্কের কাছে নাসাউ কাউন্টি মাঠের সাময়িক ভেন্যুতে হয়েছিল, সেখানে দলগুলো ১২৫ রান তুলতেই হিমশিম খেয়েছিল। সেই তুলনায় এই মাঠ স্বস্তির খবর হতে পারে। চারটি টার্ফ পিচের পাশাপাশি এই মাঠে আছে একটি হাইব্রিড পিচও। এতে ব্যবহার করা হয়েছে প্রাকৃতিক কাদামাটি ও কৃত্রিম তন্তুর মিশ্রণ। অস্ট্রেলিয়া আর শ্রীলঙ্কায় এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। বার্স বলেন, ‘এই নির্মাণ পদ্ধতিতে আমরা আরও দ্রুতগতির পিচ তৈরি করতে পারি। ব্যবহারের কারণে ক্ষয় হলেও এই পিচ সহজে সামলানো যায়।’ পিচে ব্যবহৃত কাদামাটি স্থানীয়। বার্স আরও বলেন, ‘এই কাদামাটির উপাদান শুধু পেসারদের জন্য বাউন্সই দেবে না, স্পিনারদের জন্য গ্রিপও দেবে।’ সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার একটি বিষয় হলো টাইফুনের ঝুঁকি। গেমস আয়োজনের সময়টাতেই সাধারণত জাপানে টাইফুন আঘাত হানে। এ কারণে মাঠের নিষ্কাশন ব্যবস্থা খুব গুরুত্বপূর্ণ। বার্স জানান, এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘মাঠের নিচে বালির ভিত্তি বসানো হয়েছে, যাতে পানি বেশি শুষে নেওয়া যায়। তবে সীমিত সরকারি বাজেটে এই মাঠ তৈরি হয়েছে বলে, নিষ্কাশন ব্যবস্থা বিশ্বের সেরা মাঠগুলোর সঙ্গে তুলনীয় নয়।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Design By Raytahost