
রংপুর বিভাগের সাত জেলার ১৪৮ জন ভ্যাকসিনেটর পুনর্বহাল এবং ইপিআই (EPI) টিকাদান কার্যক্রম পুনরায় চালুর দাবিতে বিভাগীয় পরিচালকের (স্বাস্থ্য) কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন ভুক্তভোগী ভ্যাকসিনেটররা। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) রংপুর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় পরিচালকের কাছে দেওয়া স্মারকলিপিতে তারা উল্লেখ করেন, রংপুর, দিনাজপুর, নীলফামারী, পঞ্চগড়, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তারা প্রথমে মাল্টিপারপাস হেলথ ভলান্টিয়ার (এমএইচভি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ভ্যাকসিনেটর হিসেবে নিয়োগ পেয়ে দীর্ঘদিন ধরে ইপিআই টিকাদান কার্যক্রমসহ বিভিন্ন জনস্বাস্থ্য কর্মসূচিতে কাজ করে আসছেন। স্মারকলিপিতে বলা হয়, ২০২০ সালের করোনা মহামারি মোকাবিলায় টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি হাম-রুবেলা, টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি এবং জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য কার্যক্রম বাস্তবায়নে তারা মাঠপর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তারা আরও জানান, বর্তমানে ইপিআই টিকাদান কার্যক্রম বন্ধ থাকায় রংপুর বিভাগের সাত জেলার ১৪৮ জন ভ্যাকসিনেটর কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। ফলে তারা ও তাদের পরিবার চরম আর্থিক ও জীবিকা সংকটে রয়েছেন। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও কর্মদক্ষতাকে মূল্যায়ন করে দ্রুত তাদের পুনর্বহাল এবং কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।স্মারকলিপিতে চার দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিষয়টি অবহিত করা, সাত জেলার ভ্যাকসিনেটরদের পুনর্বহাল করে ইপিআই কার্যক্রম পুনরায় চালু করা এবং প্রচলিত সরকারি বিধি-বিধান অনুযায়ী চাকরি ট্রাস্টে হস্তান্তর, স্থায়ীকরণ বা আত্মীকরণের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ। রংপুর বিভাগের সাত জেলার ১৪৮ জন ভ্যাকসিনেটরের পক্ষে স্মারকলিপিতে স্বাক্ষর করেন ভ্যাকসিনেটর মো. জাহাঙ্গীর আলম। ভ্যাকসিনেটররা তাদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও জাতীয় স্বাস্থ্য কর্মসূচিতে অবদানের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
Leave a Reply