পরিবারসূত্রে জানা যায়, নুপুর কর্মকার ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ইংরেজি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়। পরে খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেও ফল পরিবর্তন হয়নি। এরপর ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় একই বিষয়ে আবারও অংশ নেয় সে। গত ১০ আগস্ট প্রকাশিত ফলাফলে এবারও ইংরেজি বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ায় নুপুর মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। পরিবারের সদস্যরা জানান, ফল প্রকাশের পর নুপুর তার বড় ভাইকে আবারও খাতা চ্যালেঞ্জ করার কথা জানিয়েছিল। তবে গত দুই দিন ধরে সে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও স্বাভাবিকভাবে কথাবার্তা বলছিল না। বুধবার বিকেলে নুপুরের মা বাড়ির দ্বিতীয় তলায় ঘুমিয়ে ছিলেন। তার বড় ভাই খাবার খেয়ে দোকানে চলে যান। এ সময় বাড়ির নিচতলায় একা ছিল নুপুর। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এক বান্ধবী তার সঙ্গে দেখা করতে এসে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে তার চিৎকারে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা ছুটে এসে নুপুরকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে আলমডাঙ্গা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে। আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বানী ইসরাঈল বলেন, আনন্দধাম এলাকায় এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে। লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
Leave a Reply