চুয়াডাঙ্গায় খাল খনন শেষে প্রায় ২০ লাখ টাকা কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও
নিজস্ব প্রতিবেদক
Update Time :
মঙ্গলবার, জুলাই ২৮, ২০২৬
28 Time View
সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় সাশ্রয় ও স্বচ্ছতার অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করেছে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা প্রশাসন। মাখালডাঙ্গা বড় বিল থেকে চিত্রা নদী পর্যন্ত খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করে অব্যয়িত ১৯ লাখ ৭১ হাজার ৯৯৪ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রকল্পটির জন্য ৫১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৫৫ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। ওই অর্থে প্রায় ৮০০ মিটার খাল পুনঃখনন সম্পন্ন করতে ব্যয় হয় ৩১ লাখ ৮২ হাজার ১ টাকা। প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার পর অবশিষ্ট অর্থ সরকারি বিধি অনুসারে কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।
প্রকল্পটির সার্বিক তদারকিতে ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তিথি মিত্র। তিনি একাধিকবার প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে কাজের গুণগত মান, ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও সরকারি নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, খাল পুনঃখননের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত হবে, বর্ষাকালের জলাবদ্ধতা কমবে এবং শুষ্ক মৌসুমে কৃষকেরা সহজে সেচ সুবিধা পাবেন। এতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি এলাকার পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায়ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
স্থানীয় কৃষকদের মতে, দীর্ঘদিন খালটি ভরাট হয়ে থাকায় কৃষিকাজে নানা সমস্যা দেখা দিত। পুনঃখননের ফলে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হবে এবং সারা বছর সেচের সুযোগ সৃষ্টি হবে। মাখালডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ সাহা বলেন, খালটি পুনঃখননের ফলে কৃষি উৎপাদনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং এলাকার কৃষকেরা দীর্ঘমেয়াদে এর সুফল পাবেন। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগ সরকারি অর্থের সাশ্রয়ী ব্যবহার, জবাবদিহিতা ও সুশাসনের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে স্থানীয়দের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
Leave a Reply