পুলিশ জানায়, চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান-এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন চুয়াডাঙ্গা সদর থানার এসআই শরিফুজ্জামান। তার সঙ্গে ছিলেন এএসআই রমেন কুমার সরকার, এএসআই রনজু আহম্মেদ ও সঙ্গীয় ফোর্স। পুলিশ আরও জানায়, সন্দেহজনকভাবে আটক করার পর ফারুক হোসেনের দেহ তল্লাশি চালিয়ে আইফোন-১৪সহ মোট তিনটি স্মার্টফোন এবং নগদ ৩০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও টাকা পকেটমারির মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি পকেটমার চক্রের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।









Leave a Reply