
বস্ত্র অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (সচিব) চুয়াডাঙ্গার কৃতিজন ড.আবদুস সবুর বলেছেন, ‘চুয়াডাঙ্গার উন্নয়নে আমি সর্বাত্মক চেষ্টা করবো। ইতিমধ্যেই চুয়াডাঙ্গায় একটি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট, একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বেশ কিছু কাজ করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। সব কাজ সরাসরি আমার নিয়ন্ত্রণে না থাকলেও সরকারের উচ্চ মহলে যোগযোগের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে উৎসাহিত করবো।’ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জেলার এ কৃতিজনের চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবে আগমন উপলক্ষে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এসময় ড. মো. আবদুস সবুরকে ফুলেল শুভেচ্ছাসহ সংবর্ধনা দেয়া হয়। ড. আবদুস সবুর বলেন, ‘চুয়াডাঙ্গা মাটি ও মানুষের প্রতি বরাবরই আমার কৃতজ্ঞতা রয়েছে। সুযোগ পেলে নিজ জন্মভূমির ঋণ পরিশোধ করতে পিছপা হবো না।’ এসময় তিনি পূর্বের মতোই চুয়াডাঙ্গার সকল গণমাধ্যমকর্মীকে পাশে পাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি নাজমুল হক স্বপন। অতিথি ছিলেন সহ-সভাপতি রফিক রহমান, সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম সনি ও প্রেসক্লাবের দাতা সদস্য সাখাওয়াত হোসেন আশা। সভা পরিচালনা করেন বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি রফিকুল ইসলাম। মতবিনিময় সভায় গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রাজীব হাসান কচি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিপুল আশরাফ, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এমএম আলাউদ্দিন, কামাল উদ্দিন জোয়ার্দ্দার, প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক জামান আখতার, প্রচার-প্রকাশনা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাহফুজ মামুন, ক্রীড়া সম্পাদক খাইরুজ্জামান সেতু, দপ্তর সম্পাদক মফিজুর রহমান জোয়ার্দ্দার, সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হুসাইন মালিক, প্রচার-প্রকাশনা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মশিউর রহমান, একুশে টিভি আতিয়ার রহমান,নওরেজ এর প্রতিনিধি ইসলাম রকিব, ইত্তেফাক প্রতিনিধি রুবাইত -বিন-আজাদ সুস্থির, এশিয়ান টিভির প্রতিনিধি আজাদ হোসেন, আমার সংবাদ প্রতিনিধি আলম আশরাফ, জনবানীর প্রতিনিধি শামসুজ্জোহা রানা, মোহনা টিভির প্রতিনিধি সাইফ জাহান, প্রমুখ। মতবিনিময় সভায় চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম সনি প্রধান অতিথির বর্ণাঢ্য জীবনের খন্ডচিত্র তুলে ধরেন।
ড. মো. আবদুস সবুরের সংক্ষিপ্ত জীবনী:
ড. সবুর ১৯৫৬ সনে আলমডাঙ্গা উপজেলার হাড়োকান্দী গ্রামের মালিতা বংশে জন্মগ্রহণ করেন। তঁার পিতা মরহুম আনোয়ার আলী ছিলেন একজন এলএমএফ চিকিৎসক এবং পিতামহ হাজী কেফায়েত উল্লাহ ছিলেন অবলুপ্ত চুয়াডাঙ্গা মহকুমার একজন বিত্তশালী ও অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তি। ড. সবুর অত্যন্ত সুপরিচিত ও জনপ্রিয় ব্যক্তি। তিনি জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে বিশ্বাসী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একনিষ্ঠ ও নিবেদিত কর্মী। সেকারণে বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমালে ছিলেন চরমভাবে নিগৃহীত ও পদবঞ্চিত কর্মকর্তা। তিনি একজন দানশীল ও দয়ালু ব্যক্তি। প্রতিবছর শীতকালে দরিদ্র ও শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ ও আর্থিক সাহায্য করে থাকেন। সম্প্রতি নিজস্ব উদ্যোগে ও অর্থায়নে এলাকায় নতুন একটি মসজিদ নির্মাণ ও একটি মসজিদ সংস্কার করেছেন। এছাড়া আরও ১৮টি মসজিদে সরকারের অনুদানপ্রাপ্তিতে সহায়তা করেছেন। নিজ গ্রামের মসজিদসহ কবরস্থানগুলি উন্নয়নে সহায়তা করেছেন। ড. সবুর এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও রাস্তা নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রকল্প হাতে নিয়েছেন।
পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
Leave a Reply