
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় সামিরুল শাহ (৬০) নামে এক চা বিক্রেতার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার শরীর ও মুখে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার সীমান্তবর্তী আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের ব্যাংগাড়ি-ধর্মদহ সড়কের পাশে একটি মাঠে থাকা বাঁশের মাচা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত সামিরুল শাহ তেকালা পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি পেশায় ছিলেন চা বিক্রেতা। নিহতের পরিবার জানায়, তাদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে পার্শ্ববর্তী মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা থেকে এসে এ এলাকায় বসবাস করে আসছে। নিহতের বড় ছেলে সাঈদ জানান, বৃহস্পতিবার সকালে তিনি, তার বাবা ও দুই মামা বড়গাংদিয়া ইউনিয়ন পরিষদে কাজ শেষে ফেরার পথে তারাগুনিয়া থানা মোড়ে একই এলাকার মুন্টু (৫০) ফোন করে তার বাবাকে দেখা করতে ডাকেন। পরে আবার ফোন পেয়ে তার বাবা পরিবারের সদস্যদের বাড়ি যেতে বলে মুন্টুর সঙ্গে চলে যান। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। সন্ধ্যা ও রাতে মুন্টুর কাছে বাবার খোঁজ জানতে চাইলেও তিনি কোনো সদুত্তর দেননি। শুক্রবার সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, ধর্মদহ গ্রামে রাস্তার পাশের একটি বাঁশের মাচায় সামিরুলের মরদেহ পড়ে রয়েছে।দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
Leave a Reply