1. bennett_il6zyh@gmail.com : bennett :
  2. bot@local.invalid : Service Bot :
  3. newioszu_at9x0b@protonmail.com : newioszu :
  4. online@cnbtvbd.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  5. cnbtvbdar@outlook.com : vulohiwl :
  6. admin@cnbtvbd.com : admin :
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩০ অপরাহ্ন

পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্র যুক্তরাষ্ট্রে জন্য ‘গুরুতর হুমকি’: তুলসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬
  • ৬৩ বার পঠিত

পাকিস্তানকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য উল্লেখযোগ্য হুমকি সৃষ্টিকারী রাষ্ট্রগুলোর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন মার্কিন জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক তুলসি গ্যাবার্ড। তিনি মার্কিন আইনপ্রণেতাদের সতর্ক করে বলেছেন, ইসলামাবাদের ক্রমবর্ধমান ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডকেও আঘাতের আওতায় আনতে পারে।

বুধবার (১৮ মার্চ) মার্কিন সিনেটের গোয়েন্দা কমিটির সামনে ২০২৬ সালের বার্ষিক হুমকি মূল্যায়ন প্রতিবেদন উপস্থাপনকালে এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। গ্যাবার্ড বলেন, ‘রাশিয়া, চীন, উত্তর কোরিয়া ও ইরানের মতো পাকিস্তানও পারমাণবিক ও প্রচলিত ওয়ারহেডসহ বিভিন্ন ধরনের অভিনব, উন্নত বা প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে গবেষণা ও উন্নয়ন করছে, যা যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসবে।’

তিনি আরও দাবি করেন, ‘পাকিস্তানের দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন কর্মসূচিতে এমন আইসিবিএম অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে, যা দেশের অভ্যন্তরে আঘাত হানতে সক্ষম’। 

গ্যাবার্ড বলেন, ‘হুমকি মূল্যায়ন প্রতিবেদনে চিহ্নিত দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা সম্পর্কে তথ্য জানার চেষ্টা করবে, যাতে নিজেদের কর্মসূচি উন্নয়ন ও কৌশল নির্ধারণ করতে পারে’।

গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনের বরাতে তিনি জানান, আগামী এক দশকে বৈশ্বিক ক্ষেপণাস্ত্র হুমকি দ্রুত বাড়বে- ২০৩৫ সালের মধ্যে এই সংখ্যা ১৬ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে, যেখানে বর্তমানে এর সংখ্যা ৩ হাজারের কিছু বেশি। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের এমন উদ্বেগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি পাকিস্তান। তবে সামরিক বিশ্লেষকরা তুলসি গ্যাবার্ডের এমন দাবিকে প্রত্যখ্যান করেছেন। 

এই মূল্যায়নের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটন-ভিত্তিক গবেষক শুজা নওয়াজ, প্রধান পারমাণবিক হুমকিগুলোর তালিকায় পাকিস্তানকে অন্তর্ভুক্ত করাকে পূর্ববর্তী মার্কিন নীতির ধারার ধারাবাহিকতা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। 

তিনি বলেন, ‘এটি বাইডেন প্রশাসনের সেই বিশ্লেষণেরই ধারাবাহিকতা, যা পাকিস্তানি সংস্থাগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল এবং নতুন প্রযুক্তি অর্জন সীমিত করার চেষ্টা করেছিল।’

নওয়াজ যুক্তি দেন, অধিকাংশ প্রকাশ্য মূল্যায়নে পাকিস্তানের সবচেয়ে শক্তিশালী ‘শাহীন-৩’ ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ২,৮০০ কিলোমিটারেরও কম বলে উল্লেখ করা হয়েছে এবং ইসলামাবাদ বরাবরই বলে আসছে যে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচির একমাত্র উদ্দেশ্য হলো ভারতকে প্রতিহত করা। 

তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বা দক্ষিণ এশিয়ার বাইরের অন্য কোনো দেশকে লক্ষ্যবস্তু করার কোনো কারণ পাকিস্তানের নেই। ফলে এ ধরনের মূল্যায়ন যুক্তরাষ্ট্র-পাকিস্তানের বিকাশমান সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করবে’। 

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক আটলান্টিক কাউন্সিলের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সিনিয়র ফেলো মাইকেল কুগেলম্যান বলেন, ‘এটি একটি তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য, কারণ বর্তমান মার্কিন প্রশাসন পাকিস্তানের পারমাণবিক অস্ত্র ইস্যুতে বেশ নীরব থেকেছে এবং পাকিস্তান বিষয়ে তাদের বার্তায় সাধারণত ইতিবাচকতাই তুলে ধরেছে। কিন্তু একই সাথে পাকিস্তানকে বিশেষভাবে আলাদা করে চিহ্নিত করা হয়নি; অন্যান্য দেশের সাথেই এর নাম উল্লেখ করা হয়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘যদিও ইসলামাবাদ নিশ্চয়ই চাইবে না যে যুক্তরাষ্ট্র যাদেরকে দুর্বৃত্ত ও একঘরে রাষ্ট্র হিসেবে দেখে, তবে এখানে লক্ষণীয় যে ট্রাম্প প্রশাসন পাকিস্তানকে কোনো বিশেষ মনোযোগ দিচ্ছে।’

সূত্র: ডন, জিও

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2026
Design By Raytahost