1. bennett_il6zyh@gmail.com : bennett :
  2. bot@local.invalid : Service Bot :
  3. newioszu_at9x0b@protonmail.com : newioszu :
  4. online@cnbtvbd.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  5. cnbtvbdar@outlook.com : vulohiwl :
  6. admin@cnbtvbd.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন

শান্ত হচ্ছে ইরান, রাস্তায় নেই কোনো বিক্ষোভকারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৭৬ বার পঠিত

ইরানে অর্থনৈতিক মন্দার প্রতিবাদে শুরু হওয়া গত কয়েক বছরের মধ্যে হওয়া সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছে দেশটির সরকার। দেশটির যেসব সড়কে কিছুদিন আগেও সরকারবিরোধী স্লোগানের গর্জন শোনা যাচ্ছিলো, সেগুলো এখন ধীরে ধীরে শান্ত হয়ে আসছে। গত কয়েকদিনে বড় ধরনের কোনো বিক্ষোভ হয়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যপক ফোয়াদ ইজাদি আলজাজিরাকে বলেছেন, ‘গত ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টায় আমি কোনো বিক্ষোভ দেখিনি। আমরা আর কোনো দাঙ্গাও দেখিনি।’ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার থেকে দেশজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা অভিযান চালাচ্ছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এবং প্রায় পুরোপুরিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছে সরকার, যা এখনো চলমান আছে।

ইন্টারনেট বিচ্ছিন্নের ব্যাপারে অধ্যপক ইজাদি জানিয়েছেন, নিরাপত্তার জন্য সরকার এ কাজ করেছে। তিনি গত বছরের জুনে ইসরায়েল-ইরানের যুদ্ধের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘ইসরায়েলের মোসাদের গুপ্তচররা ইরানের (ইন্টারনেট) অবকাঠামো ব্যবহার করে যোগাযোগ করেছে এবং একটি কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার পরিচালনা করেছে। যা পরবর্তীতে খুঁজে পাওয়া যায়।’ এছাড়া বিক্ষোভের সময় অনেক দাঙ্গাবাজ পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। এমনকি যেসব দোকানদার তাদের দোকান বন্ধ রাখেননি তাদেরও গুলি করেছে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। তিনি বলেন, ‘দাঙ্গাবাজরা আমাদের দোকানিদের হত্যা করেছে।’ তেহরানের এক বাসিন্দা  বিবিসি পার্সিয়ানকে বলেন, ‘শুক্রবার ইরানের পরিস্থিতি ছিল ভয়াবহ। সেদিন অবিশ্বাস্যরকমের ভিড় ছিল, আর ব্যাপক গোলাগুলির শব্দ শোনা গিয়েছিলো। কিন্তু শনিবার রাত থেকে পরিস্থিতি অনেকটাই শান্ত।’

আরেক ইরানি সাংবাদিক বলেন, ‘এখন রাস্তায় নামা মানে মৃত্যুকে আহ্বান জানানো।’

তেহরান থেকে আলজাজিরার সাংবাদিক তোহিদ আসাদি বলেন, বুধবার সকাল থেকে, আমরা আরও বেশি সরকারপন্থী সমাবেশ এবং বিক্ষোভ প্রত্যক্ষ করছি। তবে সরকার-বিরোধী বিক্ষোভ চোখে পড়েনি। আমি বলতে পারি, পরিস্থিতি কিছুটা হলেও শান্ত হয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন অনুসারে, তেহরানে ১০০ জনেরও বেশি মানুষের জানাজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যাদের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনী এবং সাধারণ নাগরিকরাও রয়েছেন যারা গত দুই সপ্তাহের সহিংসতায় প্রাণ হারিয়েছেন। 

অন্যদিকে বুধবার এই বিক্ষোভের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে যাচ্ছে তেহরান। মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলোর মতে, গত সপ্তাহে গ্রেফতার হওয়া ২৬ বছর বয়সি বিক্ষোভকারী এরফান সোলতানির মৃত্যুদণ্ড আজকের মধ্যে কার্যকর করা হতে পারে।
 
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, সোলতানি পেশায় একজন দোকানদার। বিক্ষোভে অংশ নেওয়ায় গত ৮ জানুয়ারি তেহরানের উপকণ্ঠের কারাজ শহরে তার বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তিনদিনে বিচার করে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2026
Design By Raytahost