
নোয়াখালীর চাটখিল পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের রামগঞ্জ-নোয়াখালী আন্তঃজেলা সড়কের দুই পাশে যত্রতত্র ফেলা হচ্ছে ময়লা-আবর্জনা। বাদ যাচ্ছে না সড়কের বড় অংশও। দীর্ঘদিনের ময়লার স্তূপে এলাকাটি অনেকটা ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। এতে তীব্র দুর্গন্ধ ও মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা। বুধবার বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, পৌরসভার ১১ নম্বর পোল মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের পশ্চিম পাশে খোলা জায়গাজুড়ে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ পড়ে আছে। একইভাবে সড়কের দুই পাশেও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য। দিনের পর দিন এসব ময়লা জমতে থাকায় সড়কটির পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা জানান, ময়লার স্তূপ থেকে ছড়ানো দুর্গন্ধ এতটাই তীব্র যে এ এলাকা দিয়ে চলাচলের সময় নাক-মুখ ঢেকে রাখতে হয়। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। ময়লার কারণে মশার উপদ্রবও বেড়েছে। এতে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন তারা। তাদের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের অভাবে দিন দিন পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। দ্রুত ময়লা অপসারণ এবং নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এ বিষয়ে চাটখিল পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় চাটখিল পৌরসভায় আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের জন্য আবেদন করা হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে।
পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
Leave a Reply