1. online@cnbtvbd.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. wpsvc_6eb0338d2040@wordpress-svc.internal : wpsvc_6eb0338d2040 :
  3. admin@cnbtvbd.com : admin :
July 30, 2026, 12:55 am

এবার সয়াবিন তেলেও ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক, শিশুদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : বুধবার, জুলাই ২৯, ২০২৬
  • 4 Time View

টুথপেস্টের পর এবার রাজধানীর বাজারে থাকা বোতলজাত ও খোলা সয়াবিন তেলেও মারাত্মক মাত্রায় ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা বা মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। প্রতি লিটার সয়াবিন তেলে গড়ে ৫৩ হাজার ৯২২টি প্লাস্টিক কণার সন্ধান পেয়েছেন গবেষকরা। বোতলজাত তেলের চেয়ে খোলা বাজারে বিক্রি হওয়া তেলে এই দূষণের মাত্রা আরও ভয়াবহ। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) এক যৌথ গবেষণায় জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই তথ্য সামনে এসেছে। আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘জার্নাল অব ফুড কম্পোজিশন অ্যান্ড অ্যানালাইসিস’-এ সম্প্রতি এই গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়। গবেষণার জন্য ঢাকার তেজগাঁও, উত্তরা ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বিভিন্ন সুপারশপ ও খোলা বাজার থেকে সয়াবিন তেলের ৬০টি নমুনা সংগ্রহ করে আধুনিক রাসায়নিক পদ্ধতিতে বিশ্লেষণ করা হয়। এতে দেখা যায়, বোতলজাত তেলের তুলনায় খোলা সয়াবিন তেলে দূষণের পরিমাণ অন্তত ১.২৪ গুণ বেশি। খোলা তেলে প্রতি লিটারে গড়ে ৫৯ হাজার ৭৭৮টি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে, যার মধ্যে তেজগাঁও এলাকার নমুনাগুলোতে দূষণের মাত্রা ছিল সর্বোচ্চ।ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় তেলের নমুনাগুলোতে লো-ডেনসিটি পলিইথিলিন, পলিপ্রোপিলিন ও নাইলনসহ ছয় ধরনের প্লাস্টিক পলিমার শনাক্ত হয়েছে। গবেষকদের দাবি, ভোজ্যতেলে নাইলন ও পলিইউরেথেনের উপস্থিতি বিশ্বে এবারই প্রথম কোনো গবেষণায় ধরা পড়ল। এসব কণার ৮২.৫ শতাংশই আঁশ বা ফাইবারজাতীয়। গবেষণার প্রাক্কলন অনুযায়ী, সয়াবিন তেল ব্যবহারের মাধ্যমে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের শরীরে প্রতিদিন গড়ে সাঝা ১৭টি প্লাস্টিক কণা প্রবেশ করছে। তবে কম ওজনের কারণে শিশুদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বেশি। শিশুরা প্রতিদিন গড়ে ৭৭টি এবং বছরে প্রায় ২৮ হাজার ১৮০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক গ্রহণ করছে। চিকিৎসকদের মতে, ১৩০ মাইক্রোমিটারের চেয়ে ছোট এই কণাগুলো সরাসরি রক্তে মিশে গিয়ে মানুষের পরিপাকতন্ত্র, হরমোন ও কোষের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি করতে পারে। গবেষণা দলের প্রধান ও জাবির পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. শফি মুহাম্মদ তারেক জানান, মাইক্রোপ্লাস্টিক মানবদেহের প্রজননতন্ত্র ও বিপাকীয় ব্যবস্থায় মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। এর প্রতিকারে প্লাস্টিক বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনা, খাদ্যপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে কঠোর নজরদারি এবং খোলা তেল বিক্রির ক্ষেত্রে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার তাগিদ দিয়েছেন গবেষকরা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Design By Raytahost