1. online@cnbtvbd.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. wpsvc_6eb0338d2040@wordpress-svc.internal : wpsvc_6eb0338d2040 :
  3. admin@cnbtvbd.com : admin :
September 20, 2026, 5:24 pm

আকুর বিল পরিশোধ, ফের রিজার্ভ কমে ৩৬ বিলিয়নের ঘরে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : সোমবার, সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬
  • 50 Time View

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) জুলাই ও আগস্ট মাসের আমদানি বিল বাবদ ১৩৯ কোটি ডলার পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ অর্থ পরিশোধের পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ কমে ৩৬ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) আকুর হিসাবে ১৩৯ কোটি ডলারের সমপরিমাণ অর্থ পরিশোধ করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সাধারণত আকুর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আমদানি-রফতানি লেনদেনের দায় দুই মাস পরপর নিষ্পত্তি করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় জুলাই ও আগস্ট মাসের আমদানি বিল পরিশোধ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত দেশের মোট বা গ্রোস বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাবপদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার। এর আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার দেশের মোট রিজার্ভ ছিল ৩৭ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার। আর বিপিএম-৬ হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩২ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ আকুর বিল পরিশোধের পর মোট রিজার্ভ কমেছে প্রায় ১ দশমিক ০৬ বিলিয়ন ডলার। এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের আরেকটি হিসাব রয়েছে, যা নিয়মিত প্রকাশ করা হয় না। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, নিট ইন্টারন্যাশনাল রিজার্ভ (এনআইআর) বা ব্যয়যোগ্য নিট রিজার্ভ বর্তমানে ২৮ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি রয়েছে। দেশে প্রতি মাসে গড়ে সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার আমদানি ব্যয় হয়। সে হিসাবে বর্তমান নিট রিজার্ভ দিয়ে প্রায় পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। সাধারণত একটি দেশের অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয়ের সমপরিমাণ রিজার্ভ থাকা নিরাপদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সে মানদণ্ডে বাংলাদেশের রিজার্ভ এখনো স্বস্তিদায়ক অবস্থানে রয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ একটি দেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূচক। আমদানি ব্যয় পরিশোধ, বৈদেশিক ঋণ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক দায় মেটানোর সক্ষমতা নির্ধারণে এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এর আগে গত ৭ জুলাই আকুর মে-জুন মেয়াদের ১৪৮ কোটি ডলারের আমদানি বিল পরিশোধ করেছিল বাংলাদেশ। ওই অর্থ পরিশোধের পর বিপিএম-৬ হিসাবে দেশের রিজার্ভ দাঁড়িয়েছিল ৩১ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলার এবং মোট রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার। আকু মূলত একটি আন্তঃদেশীয় লেনদেন নিষ্পত্তি ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের দায় নিষ্পত্তি করা হয়। বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল ও পাকিস্তান বর্তমানে এ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত। ইরানের রাজধানী তেহরানে আকুর সদর দপ্তর। আকুর ব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাধারণত দুই মাস অন্তর আমদানি বিলের দায় পরিশোধ করে। তবে অর্থনৈতিক সংকটের কারণে আমদানি ব্যয় পরিশোধের বিভিন্ন শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় শ্রীলঙ্কার আকু সদস্যপদ সাময়িকভাবে স্থগিত রয়েছে। জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (এসক্যাপ) ভৌগোলিক সীমারেখায় অবস্থিত দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জন্য আকুর সদস্যপদ উন্মুক্ত।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Design By Raytahost