
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল ১০টার দিকে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশ। নিহত ফরিদ উদ্দীন খান দামুড়হুদা উপজেলার নাটুদহ ইউনিয়নের চারুলিয়া গ্রামের খানপাড়ার মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে। তিনি পেশায় ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন বলে জানিয়েছেন পুলিশ
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন অসুস্থ থাকা মাকে দেখতে বুধবার রাতে ঢাকা থেকে চুয়াডাঙ্গার উদ্দেশ্যে রওনা দেন ফরিদ উদ্দীন। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি দামুড়হুদা বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছানোর পর পেটে ব্যাথা অনুভব করেন। পরে পাবলিক টয়লেটে প্রবেশ করেন। পরে দীর্ঘ সময় বের না হওয়ায় স্থানীয়দের সন্দেহ হলে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য মনিরুল ইসলাম বলেন, একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত ছিলেন ফরিদ উদ্দিন। তিনিও শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। কয়কদিন যাবত তার মা অসুস্থ হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। মাকে দেখার জন্য বাড়িতে আসছিলেন তিনি। দামুড়হুদা বাসস্ট্যান্ডে পাবলিক টয়লেটের মধ্যে অসুস্থ হয়ে মারা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে টয়লেটের ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) শেখ মেজবাহ উদ্দিন বলেন, সকালে ঢাকা থেকে দামুড়হুদা বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছানোর পর পেটে ব্যাথা অনুভব করলে পাবলিক টয়লেটে প্রবেশ করেন। সেখানে অসুস্থ হয়ে ট্রোকজনিতকারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
Leave a Reply