
আলমডাঙ্গায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৭ মামলার আসামি পিয়াল আহম্মেদ ওরফে পিয়াল মাহমুদ সাদ্দামকে (৩৪) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ২০৩টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁর গোডাউনে তল্লাশি চালিয়ে চাপাতি, কুড়াল, ছুরি, ছোরাসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে ২৬টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে এবং একটি মামলায় চার বছরের কারাদণ্ড হয়েছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার মিয়াপাড়া-ক্যানালপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ারের সার্বিক দিকনির্দেশনায় আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ এ অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল কুদ্দুসের বাড়ির পেছনে শমসের মল্লিকের ডোবা পুকুরের উত্তর-পূর্ব কোণে অভিযান চালায়। এ সময় দুর্লভপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে পিয়াল আহম্মেদ ওরফে পিয়াল মাহমুদ সাদ্দামকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর হেফাজত থেকে ২০৩টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে আলমডাঙ্গা থানার গোবিন্দপুর মাঠপাড়া গ্রামে তাঁর নিজস্ব গোডাউনে তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকে একটি লোহার চাপাতি, একটি দেশীয় কুড়াল, দুটি লোহার ছুরি, দুটি বড় ছোরা ও একটি লোহার রড উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, পিয়াল সাদ্দামের বিরুদ্ধে ২৬টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এ ছাড়া আলমডাঙ্গা থানার জিআর-৪৪/২০ মামলায় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাঁকে চার বছরের কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ রয়েছে। ওই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি ছিল। পুলিশের দাবি, পিয়াল সাদ্দাম জেলার পরিচিত মাদক ব্যবসায়ীদের একজন। তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ ব্যবসা প্রতিরোধ এবং জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
Leave a Reply