1. online@cnbtvbd.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. wpsvc_6eb0338d2040@wordpress-svc.internal : wpsvc_6eb0338d2040 :
  3. admin@cnbtvbd.com : admin :
October 23, 2026, 8:01 pm

পশ্চিম রেলের সদর দপ্তরে বকেয়া বিল নিয়ে ঠিকাদারদের হাতাহাতি

সেলিম রেজা, রাজশাহী
  • Update Time : শুক্রবার, অক্টোবর ২, ২০২৬
  • 37 Time View

পশ্চিম রেলের সদর দপ্তরে কন্ট্রোলার অব স্টোরসের (সিওএস) কার্যালয়ে বকেয়া বিল ছাড়কে কেন্দ্র করে ঠিকাদারদের দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় তিন ঠিকাদারকে আগে বিল দেওয়ার দাবিতে অন্য ঠিকাদারদের ওপর চড়াও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ২০-২৫ জন ঠিকাদার সিওএস কার্যালয়ে গিয়ে বকেয়া বিল ছাড়ের দাবি জানান। এ সময় স্থানীয় ঠিকাদার মঞ্জুর হোসেন ভুটান, মাহফুজ আলম আপেল ও শরিফুল ইসলাম নিজেদের বিল আগে ছাড় করার জন্য চাপ দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তিন দিন আগে ঠিকাদারদের বকেয়া বিল পরিশোধের জন্য সিওএস কার্যালয়ে সাড়ে চার কোটি টাকা বরাদ্দ আসে। কাজের ক্রমানুসারে ঠিকাদারদের বিল পরিশোধের নিয়ম থাকলেও বরাদ্দের পরিমাণ প্রয়োজনের তুলনায় কম। এ কারণে ছোট অঙ্কের বিলগুলো আগে পরিশোধের উদ্যোগ নেন কন্ট্রোলার অব স্টোরস নাহিদ হোসেন। এতে আপত্তি জানান ওই তিন ঠিকাদার।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার বিকেলে ঠিকাদাররা বিলের জন্য সিওএস কার্যালয়ে জড়ো হন। একপর্যায়ে ভুটান, আপেল ও শরিফুল নিজেদের বিল আগে দেওয়ার জন্য চাপ দেন। তারা একটি তালিকা অনুযায়ী বিল ছাড়ের দাবি জানান। এ নিয়ে অন্য ঠিকাদারদের সঙ্গে তাদের বাগ্‌বিতণ্ডা ও পরে হাতাহাতি হয়।
তবে মাহফুজ আলম আপেল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘বকেয়া বিলের চার ভাগের মধ্যে মাত্র এক ভাগ এসেছে। অনেকেরই বিল আটকে আছে। আমরা আগে বিল চাইনি। স্থানীয় হওয়ার কারণে চাপ সৃষ্টির অভিযোগও সঠিক নয়। সব ঠিকাদার একসঙ্গে বিল চাইছিলেন। এ কারণে দু-একটি কথা হয়েছে। এর বেশি কিছু না।’পশ্চিম রেলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) আহম্মেদ হোসেন মাসুম বলেন, ‘ঠিকাদারদের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে কিনা জানা নেই। তবে কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে, এটা শুনেছি।’
কন্ট্রোলার অব স্টোরস নাহিদ হোসেন বলেন, ‘বরাদ্দ এলে আগে বিল পাওয়ার জন্য ঠিকাদাররা চেষ্টা করেন। এটা নিয়েই একটু ঝামেলা হয়েছিল। ঘটনা বেশি বড় নয়।’
স্থানীয় তিন ঠিকাদারকে আগে বিল দেওয়ার চাপের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘তাদের বিল আগে দেওয়ার জন্য বলছিলেন। তবে কোনো তালিকা এনেছিল কি না মনে নেই।’রাজশাহী রেলওয়ে থানার ওসি হাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনাটি সোমবার বিকালের। তবে তিনি ওইদিন সন্ধ্যায় থানায় যোগ দিয়েছেন। এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দেখা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Design By Raytahost