
খুলনার কয়রায় কয়রা সাংবাদিক ফোরামের কার্যালয়ে ফের হামলা ও বিলবোর্ডে ব্যানারে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কয়রা উপজেলা পরিষদের সামনে সেবা ভবনের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত সাংবাদিক ফোরামের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। কয়রা সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুর রহমান শান্ত অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ও কয়েকজন সাংবাদিকের নেতৃত্বে একদল লোক কার্যালয়ে হামলা চালায়। এ সময় সংগঠনের ব্যানার ও বিলবোর্ডে আগুন দেওয়া হয়। ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায়, উপজেলা বিএনপির সাবেক নেতা ও সাংবাদিক হারুন আর রশিদ, রিয়াসাত আলী, তরিকুল ইসলাম এবং এনসিপির সাবেক নেতা রউফ,জামাযাতের কয়রা ইউনিয়ন যুব বিভাগের সভাপতি জাহিদুর রহমান ও এমপির এপিএস আবুজারের নেতৃত্বে ১১-১৫ জন মিলে হামলা অংশগ্রহণ করেন। ফোরাম সূত্রে জানা যায়, হামলার আশঙ্কায় ঘটনার দুই দিন আগে কয়রা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল। এতে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কার কথা জানিয়ে সাংবাদিক ফোরামের কার্যালয়ের নিরাপত্তায় পুলিশের সহযোগিতা চাওয়া হয়। তবে ফোরামের অভিযোগ, জিডি করার পরও সম্ভাব্য হামলা ঠেকাতে পুলিশের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফোরামের নেতৃবৃন্দ জানান, বুধবার হামলার সময়ও পুলিশের সহযোগিতা চেয়ে একাধিকবার ফোন করা হয়। কিন্তু অভিযোগ, তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। পরে হামলাকারীরা সংগঠনের ব্যানারে আগুন দেয়।হামলার ঘটনায় কার্যালয়ের ভেতরে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ফোরামের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছিল। কয়রা সাংবাদিক ফোরামের নেতৃবৃন্দ এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহিদুর রহমান কে বিষয়টি জানানো হলে তিনি বলেন ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাচ্ছি। বিষয়টি অনুসন্ধান করা হবে।
পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
Leave a Reply