
চুয়াডাঙ্গা জেলার বিভিন্ন থানায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া ৯ আসামিকে সংক্ষিপ্ত বিচার (সামারি ট্রায়াল) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। শনিবার (১৮ জুলাই) বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও সংক্ষিপ্ত বিচার আদালতের বিচারক লাভলী নাজনীন এ দণ্ডাদেশ দেন। মাদক নির্মূলে জেলা পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে এ অভিযান ও দ্রুত বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।
আদালত ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় জেলাজুড়ে বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ৭টি মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত মামলা সংক্ষিপ্ত বিচার আদালতে উপস্থাপন করা হলে বিচারক আইন অনুযায়ী এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।থানাভিত্তিক মামলার বিবরণে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ৩টি মাদক মামলায় ৫ জন, আলমডাঙ্গা থানার ২টি মামলায় ২ জন, জীবননগর থানার ১টি মামলায় ১ জন এবং দর্শনা থানার ১টি মামলায় ১ জনসহ মোট ৯ জন আসামির বিরুদ্ধে এই সংক্ষিপ্ত বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। অপরাধের ধরন বিবেচনা করে তাদের প্রত্যেককে পৃথক মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান জানান, মাদকের বিরুদ্ধে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। মাদক ব্যবসায়ী, বহনকারী কিংবা সেবনকারী—কাউকেই কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। নিয়মিত অভিযানের পাশাপাশি গ্রেপ্তারকৃতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। মাদকমুক্ত ও নিরাপদ চুয়াডাঙ্গা গড়তে জেলা পুলিশের এই কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরালোভাবে অব্যাহত থাকবে। মাদকের বিস্তার রোধে জেলা পুলিশ বর্তমানে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি, নিয়মিত অভিযান এবং দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অপরাধ দমনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলে জানানো হয়েছে।
পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
Leave a Reply