
‘করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গায় শুরু হয়েছে জেলা ফল মেলা-২০২৬। বুধবার বেলা ১১টায় চুয়াডাঙ্গা কলেজ রোডের সামনে জেলা শিল্পকলা মুক্তমঞ্চ প্রাঙ্গণে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে এই মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে ৩ দিনব্যাপী এই মেলার উদ্বোধন করেন জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামান। উদ্বোধন শেষে অতিথিবৃন্দ মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন। এবারের মেলায় চুয়াডাঙ্গা জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা নার্সারি মালিক ও ফল চাষিরা তাদের উৎপাদিত হরেক রকমের দেশি-বিদেশি ফলের পসরা সাজিয়েছেন। স্টলগুলোতে আম, কাঁঠাল, লিচু, জাম্বুরা, লটকন, ড্রাগন ফলসহ নানা পুষ্টিগুণ সম্পন্ন ও বিলুপ্ত প্রায় দেশীয় ফলের চমৎকার প্রদর্শনী দেখা গেছে।
মেলা উদ্বোধনকালে বক্তারা জানান, চুয়াডাঙ্গার মাটি ও আবহাওয়া ফল চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। বর্তমানে এ অঞ্চলে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বিষমুক্ত ফল চাষ ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। বছরজুড়ে ফলের চাহিদা মেটাতে ও পুষ্টির অভাব দূর করতে আমাদের ফল চাষ ও আধুনিক পদ্ধতিতে তা সংরক্ষণের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। এই মেলা স্থানীয় চাষিদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহিত করবে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে ফলদ বৃক্ষ রোপণের আগ্রহ বাড়িয়ে তুলবে। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক শারমিন আক্তার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার, অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) কৃষ্ণ রায়, অতিরিক্ত উপপরিচালক (খামার বাড়ি) দেবাশীষ সাহা, জেলা মার্কেটিং অফিসার শহিদুল ইসলাম, জেলা তথ্য অফিসার শিল্পী মন্ডল, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনিসুর রহমান প্রমুখ।
পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
Leave a Reply