
ব্যাটিংয়ে শুরুটা ছিল হতাশাজনক। টপ অর্ডারের ব্যর্থতায় দ্রুতই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি এক প্রান্ত ধরে রাখলেও অন্য প্রান্তে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দল। একসময় শতরানও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছিল। তবে সংকটের মুহূর্তে দলের ত্রাতা হয়ে আবির্ভূত হন স্বর্ণা আক্তার। সাত নম্বরে নেমে মাত্র ২২ বলে ৫ চার হাঁকিয়ে অপরাজিত ৩৯ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন তিনি। তার ব্যাটেই লড়াই করার মতো পুঁজি পায় বাংলাদেশ। সাউদাম্পটনে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১২৩ রান সংগ্রহ করে টাইগ্রেসরা। স্বর্ণার ৩৯ রানের পাশাপাশি অধিনায়ক জ্যোতি ৩৮ বলে ৩৬ রান করেন। ১২৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই বাংলাদেশি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের মুখে পড়ে পাকিস্তান। নতুন বলে দুর্দান্ত সুইং ও গতিতে প্রথম ওভারই মেডেন করেন মারুফা আক্তার। যদিও প্রথম উইকেটের জন্য বাংলাদেশকে অপেক্ষা করতে হয় অষ্টম ওভার পর্যন্ত। নাহিদা আক্তার ৪৯ রানের উদ্বোধনী জুটি ভেঙে দলকে কাঙ্ক্ষিত ব্রেকথ্রু এনে দেন। এরপর দুই প্রান্ত থেকে স্পিন আক্রমণে যান অধিনায়ক জ্যোতি। রাবেয়া খান ও সানজিদা আক্তার মেঘলার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে রান তোলা কঠিন হয়ে পড়ে পাকিস্তানের জন্য। একের পর এক ডট বলের চাপে প্রয়োজনীয় রানরেট বেড়ে যায়, আর সেখান থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি বাংলাদেশের হাতে চলে আসে।শেষ দিকে দ্রুত রান তুলতে গিয়ে আরও চাপে পড়ে পাকিস্তান। নিয়মিত উইকেট হারিয়ে তারা লক্ষ্য থেকে ছিটকে যায়। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১০০ রান তুলতে সক্ষম হয় পাকিস্তান। ফলে ২৩ রানের দারুণ এক জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। এই জয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের দ্বিতীয় জয় পেল টাইগ্রেসরা। একই সঙ্গে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এক আসরে একাধিক ম্যাচ জয়ের কীর্তিও গড়েছে বাংলাদেশ।
পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
Leave a Reply