পুশইন হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ, ছয়জন নারী ও চারজন শিশু রয়েছে। এরা সবাই হিন্দি ভাষাভাষী। সীমান্ত থেকে চার কিলোমিটার পায়ে হেটে এসে দর্শনা বাসস্ট্যান্ডে টার্মিনালে আশ্রয় নেয়।
পুশইন হওয়া ব্যক্তিরা জানায়, তারা সবাই মুসলিম। ভারতের উড়িষ্যার নাগরিক। সেখানে তাদের বাড়িঘর আছে। ভারতীয় পুলিশ তাদের বাংলাদেশী অপবাদ দিয়ে ধরে জেলে পাঠায়। এ সময় তাদের আধার কার্ড, রেশন কার্ড কেড়ে নেয়। এরপর উড়িষ্যার জেলে ছিল একমাস পাঁচদিন। সেখান থেকে দুইদিন আগে কলকাতায় নিয়ে আসে। তারপর নদীয়া জেলার গেঁদে সীমান্ত এনে কাঁটাতারের বেড়ার গেট খুলে মধ্য রাতের পর বাংলাদেশে ঢুকিয়ে দেয়। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) রাত দশটার দিকে এদের দর্শনা বাসস্ট্যান্ডে স্থানীয়রা শীতের পোশাক ও খাবার দিয়ে সহযোগিতা করে একটি দোকানের সামনে রাখে।
খবর পেয়ে দর্শনা থানা পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা এসে তাদের উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা হাসপাতালে নেয়। দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, এদের অনেকেই অসুস্থ। হাসপাতালে নিয়ে আগে চিকিৎসা করানো হবে। তারপর ডিসি-ইউএনও স্যার পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন।
Leave a Reply