1. bennett_il6zyh@gmail.com : bennett :
  2. bot@local.invalid : Service Bot :
  3. newioszu_at9x0b@protonmail.com : newioszu :
  4. online@cnbtvbd.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  5. cnbtvbdar@outlook.com : vulohiwl :
  6. admin@cnbtvbd.com : admin :
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন

শিল্পসাহিত্য চর্চায় রাজনীতিকীকরণ সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয়: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৬৬ বার পঠিত

শিক্ষা, গবেষণা এবং শিল্পসাহিত্য চর্চাকে রাজনীতিকীকরণ করা কখনই সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে আয়োজিত একুশে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ উপলব্ধি থেকেই স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো একুশে পদক প্রবর্তন করেছিলেন। এ পদক শুধু একটি সম্মাননা নয়, বরং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনসহ দেশের ঐতিহাসিক ঘটনাবলির রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা ও গবেষণায় অবদান রাখা ব্যক্তিদের সমাজের সামনে তুলে ধরার একটি অনন্য উদ্যোগ। তারেক রহমান বলেন, ১৯৭৬ সালে মাত্র তিনটি বিষয়ে পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘একুশে পদক’-এর যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, শিক্ষা, গবেষণা, শিল্পকলা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ অন্তত ১২টি ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে। এটিকে তিনি দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইতিবাচক অর্জন হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিল্পসাহিত্য চর্চার ধারা আরও বিকশিত হওয়া প্রয়োজন। এ লক্ষ্য অর্জনে শিক্ষা, গবেষণা এবং সংস্কৃতিচর্চা জোরদারে রাষ্ট্র ও সরকারের দায়িত্ব অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

‘আমি বিশ্বাস করি, শিক্ষা-গবেষণা ও শিল্প-সাহিত্য চর্চাকে রাজনীতিকীকরণ করা কখনই সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয়। শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্পকলা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের সব শাখায় যাতে দেশ এগিয়ে যেতে পারে, সে লক্ষ্যে নৈতিক মানসম্পন্ন একটি উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকার কাজ করছে। আমাদের এ যাত্রায় দেশের বিজ্ঞজনদের দিকনির্দেশনা অবশ্যই প্রত্যাশিত।’ জাতীয় ইতিহাসে ফেব্রুয়ারি মাসের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ফেব্রুয়ারি আমাদের আত্মপরিচয়ের স্মারক। বলা যায়, আমাদের সংস্কৃতিচেতনার প্রাণপ্রবাহ একুশে ফেব্রুয়ারি। একুশে ফেব্রুয়ারি একদিকে মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম, অন্যদিকে জালেমের বিরুদ্ধে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। সুতরাং ফেব্রুয়ারি মানেই আত্মপরিচয় উপলব্ধির মাস— আমাদের শেকড় সন্ধানী মাস।’

প্রতি বছরের মতো এ বছরও দেশের জ্ঞানী-গুণী কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী ও ভাষাসংগ্রামীদের একুশে পদকে ভূষিত করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জ্ঞানী গুণীদের কর্মময় জীবনের সঙ্গে আপামর জনগণের পরিচয় করিয়ে দেওয়া রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব।

তিনি বলেন, ‘একুশ আমাদের অবিনাশী চেতনা, স্বাধিকার অর্জনের বীজমন্ত্র। এবার আমরা ভাষা আন্দোলনের ৭৪ বছর অতিক্রম করে ৭৫ বছরে পদার্পণ করেছি। অমর একুশের ভাষাশহীদদের স্মরণে প্রবর্তিত আজকের একুশে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে আমি গভীর শ্রদ্ধাভরে ভাষাসংগ্রামীদের স্মরণ করছি। আল্লাহ তাদের মৃত্যুকে শহিদি মৃত্যু হিসেবে কবুল করুন।’ এ বছর একুশে পদকে ভূষিত সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের সৃজনমুখর জীবন আরও দীর্ঘ হোক, কল্যাণময় হোক— আল্লাহর দরবারে সেই প্রার্থনা করছি।’ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য একদিন বিশ্বসাহিত্যের জগতে উজ্জ্বলভাবে আলো ছড়াবে— এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি তার বক্তব্য শেষ করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2026
Design By Raytahost