ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্ট থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার ঘটনা নিয়ে আইসিসির (আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল) ভূমিকায় তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে ইসলামাবাদে। এর প্রতিবাদে পাকিস্তান সরকার টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে।
বাংলাদেশ নিরাপত্তার উদ্বেগ দেখিয়ে ভারতে ম্যাচ না খেলে শ্রীলঙ্কায় খেলার অনুমতি চেয়েছিল। কিন্তু আইসিসি সেই আবেদন নাকচ করে দেয়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকেই অনেকে আইসিসির দ্বিমুখী ও বৈষম্যমূলক নীতির প্রমাণ বলে মনে করছেন। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি আইসিসির এই আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, এতে ক্রিকেটের ন্যায়বিচারের চেতনা ক্ষুণ্ন হয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ফেডারেল সরকারের হাতে। পিসিবি সরকারের নির্দেশ মেনে চলবে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও মহসিন নাকভির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছে। উচ্চপর্যায়ের সূত্র জানিয়েছে, সরকার পাকিস্তানকে বিশ্বকাপে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে। একজন সিনিয়র সরকারি কর্মকর্তা বলেছেন, “এটা শুধু ক্রিকেটের ব্যাপার নয়, এটা নীতি ও ন্যায়ের প্রশ্ন। আইসিসি এক দেশের পছন্দ-অপছন্দের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। একদিকে ভারতকে ভেন্যু বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা দেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে বাংলাদেশের নিরাপত্তার আবেদন উপেক্ষা করা হচ্ছে।”
পাকিস্তানের ক্রিকেটাররাও পিসিবি চেয়ারম্যানের পাশে দাঁড়িয়েছেন। লাহোরে এক বৈঠকে তারা সর্বসম্মতভাবে জানিয়েছেন, সরকার যে সিদ্ধান্তই নিক (খেলা বা না খেলা), তারা তাতে একমত থাকবেন।
Leave a Reply