1. bennett_il6zyh@gmail.com : bennett :
  2. bot@local.invalid : Service Bot :
  3. newioszu_at9x0b@protonmail.com : newioszu :
  4. online@cnbtvbd.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  5. cnbtvbdar@outlook.com : vulohiwl :
  6. admin@cnbtvbd.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ন

চুয়াডাঙ্গায় পাম্পগুলোতে তেল নিতে বাইকারদের উপচে পড়া ভিড় কমলেও বেড়েছে কৃষকের সংখ্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭৭ বার পঠিত

প্রশাসনের নজরদাড়িতে চুয়াডাঙ্গায় পাম্পে তেল নিতে আসা মোটরসাইকেলের সংখ্যা কমেছে। তবে ডিজেল নিতে বেড়েছে কৃষকের সংখ্যা। চুয়াডাঙ্গা জেলাজুড়ে গত কয়েকদিন ধরে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। সাধারণ যানবাহন চালকরা ভোগান্তিতে পড়লেও মঙ্গলবার জেলার বিভিন্ন পাম্পে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। পাম্পগুলোতে তেলের জন্য হাহাকার থাকলেও আগের দিনের তুলনায় মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ লাইন বা ভিড় অনেকটাই কম লক্ষ্য করা গেছে। পক্ষান্তরে পাম্পগুলোতে বেড়েছে কৃষকদের লম্বা লাইন।

শহরের রেলবাজারে মোজাম্মেল হক পেট্রোল পাম্প, হাইওয়ে ফিলিং স্টেশনসহ বেশ কিছু পাম্প ঘুরে দেখা গেছে, যেসব পাম্পে সীমিত পরিমাণে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে, সেখানেও আগের মতো উপচে পড়া ভিড় নেই। পাম্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত কয়েকদিন মানুষ পাম্পে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও তেল না পেয়ে ফিরে গেছেন। এখন মানুষ পাম্পে আসার আগেই খবর নিচ্ছেন তেল আছে কি না।

জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় গত ১ এপ্রিল থেকে চুয়াডাঙ্গায় ‘নো কার্ড, নো ফুয়েল’ নীতি কার্যকর করার ঘোষণা দেওয়া হয়। যদিও বাস্তবে অনেক পাম্পে কার্ড ছাড়াও তেল বিক্রির অভিযোগ রয়েছে, তবুও এই কড়াকড়ির ফলে লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রহীন চালকরা পাম্পে আসা কমিয়ে দিয়েছেন। এছাড়া বর্তমানে জনপ্রতি ২০০ থেকে ৫০০ টাকার বেশি তেল না দেওয়ার নিয়ম কার্যকর করায় অনেক গ্রাহক পাম্পে আসার উৎসাহ হারাচ্ছেন।

বর্তমানে চুয়াডাঙ্গায় তাপদাহের পাশাপাশি সেচ মৌসুম চলায় ডিজেলের চাহিদা তুঙ্গে। যদিও কৃষকদের জন্য নিয়ম কিছুটা শিথিল রাখা হয়েছে, তবুও চাহিদামতো ডিজেল না পাওয়ায় বোরো আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন এ অঞ্চলের কৃষকরা। পাম্পে তেল নিতে আসা কৃষক মজিবর রহমান বলেন, আমি মাঠে চার বিঘা জমি চাষ করি অথচ পাম্পে তেল নিতে আসলে মাত্র ৫০০ টাকার তেল দেয়া হচ্ছে। এই সামান্য তেলে আমার জমির সেচ দেওয়া সম্পূর্ণ হবে না। তবুও সীমিত পরিমাণ তেল নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে সামান্য পরিমাণে তেল পেয়েছি।

মোজাম্মেল হক পেট্রোল পাম্পের সহকারি ম্যানেজার মামুন বলেন, গতকালকে ৩ হাজার লিটার পেট্রোল, ২ হাজার লিটার অকটেন ও সাড়ে ৪ হাজার লিটার ডিজেল পেয়েছি। যা চাহিদার তুলনায় খুবই কম। আগে মোটরসাইকেল চালকদের চাপ বেশি থাকলেও বর্তমানে ফুয়েল কার্ড সিস্টেম চালু করে চাপ একটু কমেছে। তবে সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে কৃষকদের চাপ। কৃষকেরা তেল ক্রয়ের জন্য দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। এতে করে আমরাও চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2026
Design By Raytahost