1. bennett_il6zyh@gmail.com : bennett :
  2. bot@local.invalid : Service Bot :
  3. newioszu_at9x0b@protonmail.com : newioszu :
  4. online@cnbtvbd.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  5. cnbtvbdar@outlook.com : vulohiwl :
  6. admin@cnbtvbd.com : admin :
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০২:১৭ পূর্বাহ্ন

লাল শাড়ি পরা মিতু স্বজনদের নিয়ে বাড়ি ফিরল সাদা কাপড়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬
  • ৭৩ বার পঠিত

পরনে ছিল লাল শাড়ি। ওই লাল শাড়িতেই হয়েছিল বিয়ে। হাতে মেহেদির লাল রঙ। বিয়ের আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হয়েছে বিষাদে। কত আশা, কত স্বপ্ন, কত আনন্দ- সব ম্লান করে দিল এক সড়ক দুর্ঘটনা। সড়ক দুর্ঘটনায় নিভে গেছে ১৪ প্রাণ। কয়রার নাকশা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে লাল শাড়ি পরে বরযাত্রার সঙ্গে রওনা দেন মার্জিয়া আক্তার মিতু। আবার সেই বাড়িতে মিতু ফিরল সাদা কাপড়ে মোড়ানো লাশ হয়ে। শুধু মিতু নন, তার সঙ্গে ছিল তার ছোট বোন লামিয়া (১১) এবং মিতুর দাদি রাশিদা বেগম (৭৫)। তাদের লাশ দেখেই স্বজনদের কান্নায় ভারি হয়ে উঠে পুরো গ্রাম। সে এক হৃদয়বিদায়ক ঘটনা। বাড়ির চারপাশে শুধু কান্নার আওয়াজ।  বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বাগেরহাটের রামপালে সড়ক দুর্ঘটনায় খুলনার কয়রা উপজেলার নববধূ মিতুসহ একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে শুক্রবার ভোর সাড়ে ৪টায় মিতুসহ তিনজনের লাশ পৌঁছায় তাদের বাড়িতে। আজ শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকাল ১০টায় উত্তর নাকশা গ্রামেই তাদের জানাজ অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন শ্রেণিপেশার লোকজন সেখানে উপস্থিত হন। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকাল ৪টার দিকে খুলনা–মোংলা মহাসড়কের রামপাল উপজেলার বোলাই ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, বুধবার রাতে উপজেলার নাকশা গ্রামের ছালাম মোড়লের মেয়ে মিতুর বিয়ে হয় রামপাল এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সাব্বির হোসেনের সঙ্গে। বৃহস্পতিবার সকালে নববধূ মিতু তার ছোট বোন লামিয়া ও বৃদ্ধা দাদি রাশিদা বেগমকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। পথিমধ্যে বরযাত্রীবাহী মাইক্রোবাসটি রামপাল বোলাই ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে মোংলা থেকে আসা নৌবাহিনীর একটি স্টাফ বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসে থাকা নববধূ, বর ও তাদের স্বজনসহ ১৪ জনের মৃত্যু হয়। শুক্রবার সকালে মিতুর বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, তার বাবা ছালাম মোড়ল কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন। তিনি ফ্যাল ফ্যাল করে তাকাচ্ছেন আর বলছেন- ‘আমার মায়েরা কোথায়। আমি একটু তাদের দেখব।’ তার কান্নায় উপস্থিত সবার চোখে পানি এসে যায়। তার দুই মেয়ে আর নিজের মায়ের মৃত্যুকে যেন মেনে নিতে পারছেন না তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2026
Design By Raytahost