নিহত সুজন আলী উপজেলার আসাননগর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মহব্বত আলীর ছেলে। তিনি পেশায় রঙমিস্ত্রি ছিলেন। তিনি তিন সন্তানের জনক। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জেরে নির্বাচনের আগে তার স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান। এরপর থেকে সুজন বাড়িতে একাই বসবাস করতেন।
সোমবার সকালে বড় ছেলে লিমন তার বাবার খোঁজ নিতে বাড়িতে যায়। বাড়ির প্রধান ফটক ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। সে প্রাচীর টপকে ভেতরে প্রবেশ করে। ঘরের দরজা খোলা অবস্থায় বাবাকে ডাকতে ডাকতে ভেতরে গিয়ে দেখতে পায় ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় তার বাবা ঝুলছেন। এ সময় তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাণী ইসরাইল জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি আত্মহত্যা। মরদেহ কিছুটা গলিত অবস্থায় ছিল, ধারণা করা হচ্ছে, কয়েকদিন আগেই তিনি গলায় ফাঁস দিয়েছেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
Leave a Reply