1. online@cnbtvbd.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. wpsvc_6eb0338d2040@wordpress-svc.internal : wpsvc_6eb0338d2040 :
  3. admin@cnbtvbd.com : admin :
September 5, 2026, 11:32 pm

খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, বিনা খরচে যাচ্ছেন ১০ হাজার কর্মী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : শনিবার, আগস্ট ২৯, ২০২৬
  • 22 Time View

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আবারও বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলতে যাচ্ছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মীকে সম্পূর্ণ বিনা খরচে (জিরো কস্ট) মালয়েশিয়ায় নেওয়ার বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শুক্রবার (২৮ আগস্ট) এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বিমান ভাড়াসহ কর্মীদের সব ধরনের অভিবাসন ব্যয় ছাড়াই এই ১০ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় যাওয়ার সুযোগ পাবেন। সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) মাধ্যমে বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে প্রথম বহর পাঠানোর মধ্য দিয়ে নতুন করে কর্মী পাঠানো শুরু হবে।

মন্ত্রণালয় বলছে, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। নতুন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও কম অভিবাসন ব্যয় নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া এর আগে শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়ে সেক্টরভিত্তিক চাহিদা এবং নৈতিক ও স্বচ্ছ নিয়োগব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়ে একমত হয়েছিল। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১০ হাজার কর্মীকে এমনভাবে মালয়েশিয়ায় পাঠানো হবে যাতে কর্মীদের কাছ থেকে অভিবাসন বাবদ কোনো অর্থ নেওয়া না হয়। এর মধ্যে বিমান ভাড়াসহ সংশ্লিষ্ট ব্যয়ও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এর আগে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছিলেন, মালয়েশিয়া সরকার বিনা খরচে ১০ হাজার কর্মী নেওয়ার বিষয়ে সম্মত হলে বাংলাদেশও কর্মীদের কোনো খরচ ছাড়াই পাঠাবে। মালয়েশিয়ার চাহিদা অনুযায়ী ওয়েল্ডার, ড্রাইভারসহ বিভিন্ন দক্ষ পেশার কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনার কথাও তিনি জানিয়েছিলেন। নতুন ব্যবস্থায় প্রথম দফার কর্মী পাঠানোর দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বোয়েসেলকে। বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে কর্মীদের মালয়েশিয়ায় পাঠানো হবে। এর ফলে মধ্যস্বত্বভোগী বা অননুমোদিত ব্যক্তির মাধ্যমে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের ঝুঁকি কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।এর আগে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে বোয়েসেলের মাধ্যমে অপেক্ষাকৃত কম ব্যয়ে কর্মী নিয়োগের বিষয়ে মালয়েশীয় নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল। বোয়েসেল ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশে কম খরচে ও নিরাপদ অভিবাসনের জন্য সরকারি নিয়োগব্যবস্থা পরিচালনা করছে। এদিকে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার প্রক্রিয়ার মধ্যেই দেশটির বিদেশি কর্মী ব্যবস্থাপনার অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এফডব্লিউসিএমএস বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে ৩৩৮টি রিক্রুটিং এজেন্সির বিস্তৃত তালিকা প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে আগে প্রকাশিত ২৫টি মূল এজেন্সির অধীনে ২৫০টি সহযোগী এজেন্সি এবং বোয়েসেলের অধীনে আরও ৬২টি এজেন্সি রয়েছে। গত ২১ আগস্ট প্রথম দফায় মাত্র ২৫টি এজেন্সির নাম প্রকাশের পর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সম্ভাব্য সিন্ডিকেট নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। পরবর্তী সময়ে তালিকা সম্প্রসারণ করে ৩৩৮টি এজেন্সিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তবে এজেন্সির তালিকা প্রকাশ হলেও এখনো কর্মী নিয়োগ ও পাঠানোর চূড়ান্ত গাইডলাইন ঘোষণা করা হয়নি। তাই সরকারি ঘোষণা না আসা পর্যন্ত কোনো এজেন্সিকে পাসপোর্ট, টাকা বা মেডিকেল ফি না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। অভিবাসন ব্যয়, অনিয়ম ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নানা অভিযোগের পর ২০২৪ সালের ৩১ মে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। এতে বিপুলসংখ্যক কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে না পেরে অনিশ্চয়তায় পড়েন। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে শ্রমবাজার পুনরায় চালু করা এবং আটকে থাকা কর্মীদের পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত এপ্রিল মাসে দুই দেশ শ্রমবাজার পুনরায় চালু এবং অভিবাসন ব্যয় কমানোর বিষয়ে নীতিগতভাবে একমত হয়। নতুন ব্যবস্থায় ন্যায্য, নৈতিক ও স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এদিকে মালয়েশিয়ার জন্য আগে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেতে না পারা প্রায় ১৭-১৮ হাজার বাংলাদেশি কর্মীকেও পর্যায়ক্রমে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Design By Raytahost