তবে বিপরীত চিত্র দেখা গেছে দামুড়হুদার গোপালপুর দাখিল মাদরাসাতেও। সেখান থেকে অংশ নেয়া ৩ শিক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। ফল বিপর্যয়ের কারণ ও নিজের নাম জানতে চাইলে গোপালপুর দাখিল মাদরাসার সুপার পরিচয় না দিয়ে মোবাইল ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
কুড়ুলগাছি এলাকার সচেতন মহল ও অভিভাবকদের অভিযোগ, ২১ শিক্ষক থাকার পরও ৩০ শিক্ষার্থীর সবাই ফেল করার দায় শুধু শিক্ষার্থীদের ওপর চাপানো যায় না। সরকারি নিয়ম উপেক্ষা করে প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত মাদরাসা চালু রাখা হয় এবং শিক্ষকরা ঠিকমতো ক্লাস নেন না বলেও তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। দায়িত্বজ্ঞানহীনতার এই চিত্র শুধরে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে ফেরাতে ও শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয়রা।
Leave a Reply