1. online@cnbtvbd.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. wpsvc_6eb0338d2040@wordpress-svc.internal : wpsvc_6eb0338d2040 :
  3. admin@cnbtvbd.com : admin :
September 5, 2026, 11:14 pm

২১ শিক্ষকের ৩০ শিক্ষার্থী : পাস করেনি কেউ 

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : মঙ্গলবার, আগস্ট ১১, ২০২৬
  • 87 Time View
Oplus_16908288
দামুড়হুদার কুড়ুলগাছি দাখিল মাদরাসায় সদ্য প্রকাশিত দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে চরম বিপর্যয় ঘটেছে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৩০ জন শিক্ষার্থীর একজনও পাস করতে পারেনি। ২১ জন শিক্ষকের পরিচালনায় পরিচালিত এই মাদরাসায় শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ার খবরে সমগ্র কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও হাটে-বাজারে বইছে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনার ঝড়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় দামুড়হুদার কুড়ুলগাছি দাখিল মাদরাসা। এ বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় ৩০ জন শিক্ষার্থী। যেখানে নিয়মিত শিক্ষক পদে নিয়োজিত রয়েছেন ২১ জন। কিন্তু পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর দেখা যায়, ফলাফলের খাতায় শতভাগই অকৃতকার্য। চরম এই ফল বিপর্যয়ের কারণ জানতে চাইলে কুড়ুলগাছি দাখিল মাদরাসার সুপার আব্দুস সামাদ বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা নিয়মিত মাদরাসায় আসেনি। আমরা যথেষ্ট চেষ্টা করেছি, এমনকি অভিভাবক সমাবেশ ডাকলেও অভিভাবকরা আসতে চান না। তবে ২১ জন শিক্ষকের বিপরীতে একজন শিক্ষার্থীও পাস না করাটা সত্যিই লজ্জাজনক।’ মাদরাসার এমপিও বা স্বীকৃতি স্থগিতের বিষয়ে তিনি বলেন, “দেখা যাক শিক্ষা বোর্ড এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়।’ এদিকে মাদরাসা পরিচালনা, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও এই ফল বিপর্যয় নিয়ে দামুড়হুদা উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. রাফিজুল ইসলাম জানান, ‘আমি একাধিকবার কুড়ুলগাছি দাখিল মাদরাসায় গিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেছি। ঠিক কী কারণে এমন অভূতপূর্ব ফল বিপর্যয় হলো, তা গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হবে।’ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ফলাফলের চিত্রে দেখা যায়— বুইচিতলা-বড়বলদিয়া দাখিল মাদরাসায় ৩৩ জনের মধ্যে ৮ জন, জগন্নাথপুর দাখিল মাদরাসায় ২৭ জনের মধ্যে ১৬ জন, দামুড়হুদা ডিএস দাখিল মাদরাসায় ৩১ জনের মধ্যে ২২ জন, কার্পাসডাঙ্গা ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসায় ৩২ জনের মধ্যে ১৮ জন, বাস্তপুর দাখিল মাদরাসায় ৩০ জনের মধ্যে ১৬ জন এবং দর্শনা ডিএস ফাজিল মাদরাসায় ৭৯ জনের মধ্যে ৩৭ জন শিক্ষার্থী পাস করেছে।
তবে বিপরীত চিত্র দেখা গেছে দামুড়হুদার গোপালপুর দাখিল মাদরাসাতেও। সেখান থেকে অংশ নেয়া ৩ শিক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। ফল বিপর্যয়ের কারণ ও নিজের নাম জানতে চাইলে গোপালপুর দাখিল মাদরাসার সুপার পরিচয় না দিয়ে মোবাইল ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
কুড়ুলগাছি এলাকার সচেতন মহল ও অভিভাবকদের অভিযোগ, ২১ শিক্ষক থাকার পরও ৩০ শিক্ষার্থীর সবাই ফেল করার দায় শুধু শিক্ষার্থীদের ওপর চাপানো যায় না। সরকারি নিয়ম উপেক্ষা করে প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত মাদরাসা চালু রাখা হয় এবং শিক্ষকরা ঠিকমতো ক্লাস নেন না বলেও তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। দায়িত্বজ্ঞানহীনতার এই চিত্র শুধরে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে ফেরাতে ও শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Design By Raytahost