1. online@cnbtvbd.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. admin@cnbtvbd.com : admin :
July 15, 2026, 7:17 am

খামেনির শেষ বিদায়ে অংশ নিচ্ছে না আরব দেশগুলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • Update Time : শুক্রবার, জুলাই ৩, ২০২৬
  • 41 Time View

মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ বিমান হামলায় নিহত ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছয় দিনব্যাপী শেষকৃত্য ও দাফন অনুষ্ঠানের ১০০টিরও বেশি দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরআইবি। তবে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাতার ও বাহরাইনের মতো উপসাগরীয় ও আরব দেশগুলোর কোনো প্রতিনিধি আনুষ্ঠানিকভাবে অংশ নেয়নি।রিয়াদ-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম হাউজ অব সৌদ জানিয়েছে, আজ শুক্রবার পর্যন্ত সৌদিসহ আবর দেশগুলো খামেনির জানাজায় অংশ নেওয়ার জন্য তাদের কোনো প্রতিনিধিকে চূড়ান্ত করেনি। বিশ্লেষকরা বলছেন, আলি খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানে প্রধান আরব দেশগুলোর অনুপস্থিত থাকার পেছনে মূলত ভূ-রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং কূটনৈতিক কৌশল দায়ী। সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের ইচ্ছাকৃতভাবে একটি শীতল কূটনৈতিক দূরত্ব বজায় রেখেছে। তারা খামেনির মৃত্যুকে ইরানের অভ্যন্তরীণ এবং তাদের শত্রুদের মধ্যকার বিষয় হিসেবে দেখছে, যার ফলে তারা রাষ্ট্রীয়ভাবে বড় কোনো শোক বার্তা বা উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি পাঠানো থেকে বিরত রয়েছে। অন্যদিকে অধিকাংশ প্রধান আরব দেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী কৌশলগত ও সামরিক সম্পর্ক রয়েছে। যেহেতু আলি খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন, তাই এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে আরব দেশগুলো ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে কোনো টানাপোড়েন তৈরি করতে চায় না। এছাড়াও ইরান বর্তমানে ইসরায়েলের সঙ্গে একটি সক্রিয় ও চরম উত্তেজনাপূর্ণ যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। যেকোনো মুহূর্তে সামরিক ও সরকারি স্থাপনায় বিমান হামলার বড় ঝুঁকি রয়েছে। এই চরম নিরাপত্তা সংকটের কারণে বিদেশি শীর্ষ নেতাদের জন্য তেহরান সফর করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

এদিকে প্রধান আরব দেশগুলো অনুপস্থিত থাকলেও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দেশের শীর্ষ নেতারা তেহরানে উপস্থিত হয়েছেন। এরমধ্যে রয়েছেন- পাকিস্তান, ভারত, চীন, রাশিয়া, তাজিকিস্তান, আর্মেনিয়া, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারপ্রধান, পার্লামেন্টের স্পিকার এবং উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধের প্রথম দিনে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন প্রায় ৩৬ বছর ইরানের নেতৃত্ব দেওয়া আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। একই হামলায় নিহত হন তার পরিবারের আরও অনেক সদস্য। এছাড়াও তার পুত্র ও বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনিও এই হামলায় গুরুতর আহত হন।

যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ চার মাস পর খামেনির ছয় দিনব্যাপী শেষকৃত্য ও দাফন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে আজ। ইতোমধ্যেই তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদে সাধারণ মানুষ ও দর্শনার্থীদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের মরদেহ রাখা হয়েছে। আগামীকাল শনিবার সেখানেই খামেনির প্রথম রাষ্ট্রীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহর ঘুরে আগামী ৯ জুলাই মাশহাদ শহরে হযরত ইমাম রেজা (আ.) এর মাজারে তাকে সমাহিত করা হবে।

সূত্র: হাউজ অব সৌদ, আলজাজিরা 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সংবাদ, কলাম, তথ্য বা ছবি ব্যবহার করা কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Design By Raytahost