ইংল্যান্ডের ‘বাজবল’ তত্ত্ব আগেই ভেঙে গেছে। ইংলিশদের অস্ট্রেলিয়া সফরে যেন বাজবলের মৃত্যুই লেখা হচ্ছে। ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ও বেন স্টোকস জুটির অ্যাশেজের পারফরম্যান্স সেটাই প্রমাণ করে। অস্ট্রেলিয়া সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে দাপটের সঙ্গে জিতেছে। ট্রাভিস হেডের দাপুটে সেঞ্চুরিতে অ্যাডেলেড টেস্টও কব্জায় নিয়েছে। এখন দুই ম্যাচ থাকতে সিরিজ জয়ের অপেক্ষা কামিন্স-স্টার্কদের।
অ্যাডিলেড ওভাল স্টেডিয়ামে শুরুতে ব্যাট করে প্রথম ইনিংসে ৩৭১ রান করেছিল অস্ট্রেলিয়া। স্টিভ স্মিথের ইনজুরিতে একাদশে ঢুকে উসমান খাজা ৮২ রানের ইনিংস খেলেন। দলীয় শত রানের আগে ৪ উইকেট হারানো অস্ট্রেলিয়াকে বাঁচাতে খাজার সঙ্গে জুটি গড়া অ্যালেক্স কেরি খেলেন ১০৬ রানের ইনিংস। দলের রান বাড়িয়ে নিতে ৫৪ রানের ইনিংস খেলে বড় ভূমিকা রাখেন মিশেল স্টার্ক। জবাব দিতে নেমে ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংসে প্যাট কামিন্স ও স্কট বোল্যান্ডের তোপে পড়ে। ২৮৬ রানে অলআউট হয়ে যায় স্টোকসের দল। পাঁচে নেমে হ্যারি ব্রুক ৪৫ রানের ইনিংস খেলে। স্টোকস বাজবল ভুলে ১৯৮ বল খেলে ৮৩ রান করেন। জেমি স্মিথ ২২ রান যোগ করতে পারেন। রানটা সম্মানজনক স্থানে নিতে ৫১ রান যোগ করেন বোলার আর্চার। কামিন্স ও বোল্যান্ড তিনটি করে উইকেট নেন। নাথান লায়নের পকেটে ঢোকে দুই উইকেট।
অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংস থেকে ৮৫ রানের লিড পায়। দ্বিতীয় ইনিংসে ৮ রানে প্রথম ও ৫৩ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারালেও হেড ও খাজার ব্যাটে দাপট দেখাতে শুরু করে। খাজা ৪০ রান যোগ করে ফিরে যান। পরে গ্রিন আউট হলে হেড ও কেরি ৪ উইকেটে ২৭১ রান তুলে দিন শেষ করেন। অজিরা তৃতীয় দিন শেষে ৩৫৬ রানের লিড নেয়। হেড ১৯৬ বলে ১৪২ রানের ইনিংস খেলেন। ১৩ চারের সঙ্গে দুটি ছক্কা আসে তার ব্যাট থেকে। নিজের ঘরের মাঠ অ্যাডিলেডে সেঞ্চুরি করে আবেগপ্রবণ হয়ে উইকেটে চুমু খান তিনি। কেরি ৫২ রানে অপরাজিত থাকেন। প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়া জোফরা আর্চার তৃতীয় দিন পর্যন্ত অজিদের দ্বিতীয় ইনিংসে কোন উইকেট পাননি। জোস টঙ নিয়েছেন দুই উইকেট। প্রথম ইনিংসে তিনি এক উইকেট নিয়েছিলেন। প্রথম ইনিংসে ব্রাইডন কার্স ও উইল জ্যাক দুটি করে উইকেট নেন। দ্বিতীয় ইনিংসে তারা একটি করে উইকেট পেয়েছেন।
Leave a Reply