1. bennett_il6zyh@gmail.com : bennett :
  2. bot@local.invalid : Service Bot :
  3. newioszu_at9x0b@protonmail.com : newioszu :
  4. online@cnbtvbd.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  5. cnbtvbdar@outlook.com : vulohiwl :
  6. admin@cnbtvbd.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০১ অপরাহ্ন

চুয়াডাঙ্গায় উন্নয়ন কাজের নামে নবগঙ্গা নদীকে ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৮৫ বার পঠিত

চুয়াডাঙ্গা পৌরসভায় স্মরণকালের সর্ববৃহৎ ১৭ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজটি প্রথমেই প্রশ্নের মুখে পড়েছে। শহরের প্রাণকেন্দ্র মাথাভাঙ্গা নদীতে পৌরসভার ড্রেনের মাধ্যমে ময়লা পানি ফেলে মাথাভাঙ্গা নদীকে দূষণ করা হয়েছে এবং পানি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ নদীটি এখন মানুষের গলার কাঁটা হয়ে দেখা দিয়েছে। একইভাবে মাথাভাঙ্গা নদীর শাখা নদী নবগঙ্গায় ড্রেনের পানি ফেলে এ নদীটিকে মারার চক্রান্ত শুরু হয়েছে।
ইতোমধ্যে চুয়াডাঙ্গার ঘোড়ামারা ব্রীজের নবগঙ্গা নদী থেকে প্রকল্পের ড্রেনের কাজ ৭০০ মিটার শেষ হয়েছে। এখনও ৩৫০ মিটার ড্রেন নির্মাণ কাজ বাকী আছে। ঘোড়ামারা ব্রীজ থেকে ছাগল খামারে পাশে পানি শোধানাগার হয়ে মেইন রাস্তা পর্যন্ত (সাইকেল হাট পর্যন্ত) ৭০০ মিটার ড্রেন নির্মাণ শেষ হয়েছে। অথচ, দ’ুপাশে একটিও বাড়ি ঘর নেই। পৌরসভায় কারা এ ধরণের প্রকল্প যারা তৈরী করেছে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহনের দাবি করেছে সচেতন মহল।
চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা স্থিতিস্পাপক নগর ও আঞ্চলিক উন্নয়ন প্রকল্প ( (আরইউটিডিপি) প্রকল্পের আওতায় সাড়ে ৬ কিলোমিটার পাঁকা রাস্তা পিচকরণ (সংস্কার) , ড্রেন নির্মাণ ও ১০০ টি স্ট্রিট লাইট পোল স্থাপন ও লাইট লাগানো হবে। এ কাজে প্রকল্পের খরচ ছিলো ১৯ কোটি ৯৯ লাখ ৯৮ হাজার ৫১৯ টাকা। কিন্ত চুক্তি হয়েছে ১৭ কোটি ২ লাখ টাকায়। এ প্রকল্পের ঠিকাদার নির্বাচিত হয়েছেন, খাগড়াছড়ির এস অনন্ত বিকাশ ত্রিপুরা লিমিটেড। চুয়াডাঙ্গায় এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদার বিএনপি নেতা রাফিতুল্লাহ মহলদার ও তার পার্টনার বিএনপি নেতা আবু জাফর মন্টু।


প্রকল্পগুলো মধ্যে রয়েছে, (১) চুয়াডাঙ্গার শ্মশানমোড় থেকে শিয়ালমারী ব্রীজ পর্যন্ত রাস্তা, ড্রেন ও স্ট্রিট লাইটের কাজ হবে। হাজরাহাটি আশিক মোড় থেকে হাজরাহাটি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত। ৩ হাজার ১৮০ মিটার। (২) চুয়াডাঙ্গার শ্মশান মোড় থেকে শিয়ালমারী ব্রিজ পর্যন্ত ১ হাজার ২০৫ মিটার । (৩) বড়বাজার চৌরাস্তার মোড় থেকে শেকড়াতলা এবং মুচিপাড়া মোড় ভায়া পৌর কলেজপাড়া , শেকড়াতলা মোড় হতে আলমডাঙ্গা রোড (শফির দোকান) ৯২০ মিটার, ইসলামপাড়া মোড় হতে মা মেডিকেল হতে পৌর ডিগ্রী কলেজ ভায়া আলমডাঙ্গা রোড (শফির দোকান) ৩০০ মিটার। মোট দৈর্ঘ্য ২ হাজার ৫০ মিটার এবং লিংক ৬৫০ মিটার। (৪) বড়বাজার চৌরাস্তা হতে শেকড়াতলা এবং মুচিপাড়া মোড় ভায়া পৌর কলেজ দের্ঘ্য ২ হাজার ৯২০ মিটার ও লিংক ৬৫০ মিটার। (৫) বিসি রোড, ড্রেন ও স্ট্রিট লাইট বাড় বাজার চৌরাস্তা হতে শেকড়াতলা মোড় এবং মুুচিতলা মোড় ভায়া পৌর কলেজ লিংক ৩০০ মিটার ।
চুয়াডাঙ্গা শহরের ঘোড়ামারা ব্রীজের নীচে নবগঙ্গা নদী থেকে ড্রেনটি দৈর্ঘ্য ১৭৫০ মিটার থেকে শুরু করে ৯৫০ মিটারে শেষ হয়েছে। অর্থাৎ দৈর্ঘ্য ৪ ফুট ২ ইঞ্চি ও প্রস্থে ৪ ফুট। তবে, ৮৫০ মিটার ড্রেনের কাজ হবে ৩ ফুট দৈর্ঘ্য। কাজের মান যাচাইয়ে পৌরসভার কোনো প্রতিনিধিকে দেখা যায়নি।
চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার সিনেমা হলপড়ার জোনারুল ইসলাম ও গুলশানপাড়ার গোলাম ফারুক বলেন বলেন, পৌরসভার যেসকল এলাকায় ঘন জনবসতি পূর্ণ আছে, সেখানেই দীর্ঘ ৫৫ বছরের ড্রেন নির্মাণ হয়নি। অথচ, যেখানে আগামী ৫০ বছরেও মানুষের বসতি স্থাপন আদৌও হবে কিনা , সেই এলাকায় ড্রেন নির্মাণ করায় জনমনে সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে। এটি কি জনকল্যাণে তেরী হয়েছে ? নাকি কারো ব্যক্তি স্বার্থে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে।


চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আনিসুজ্জামান বলেন, পৌরসভার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় একটি উন্নয়নের প্যাকেজ কাজ এটি। কাজটি বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে। ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর কাজটি উদ্বোধন করা হয়। ২০২৭ সালের মার্চ মাসে এ কাজটি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এ কাজটি ধীরগতি হওয়ায় ঠিকাদারকে লিখিতভাবে কাজ দ্রুত করার জন্য অবহিত করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গায় এ কাজের ঠিকাদার রাফিতুল্লাহ মহলদার ও আবু জাফর মন্টু বলেন, পৌরসভা থেকে কাজ দ্রুত করার জন্য চিঠি দিয়েছে। আসলে ঈদের সময় নির্মাণ শ্রমিকরা বাড়ী চলে যান। এরপর তাদের আসতে দেরী হয়েছে। গত দুদিন ধরে কাজ আবারও শুরু হয়েছে। এ মৌসুমে ভুট্রা শুকানোর কাজ হওয়ায় শ্রমিক পেতে সমস্যা হয়েছে। এ কাজে প্রতিদিন ১৫/২০ শ্রমিক নিয়মিত কাজ করছেন।
চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার প্রশাসক শারমিন আক্তার বলেন, ‘চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার উন্নয়ন কাজ শুধু পৌরসভার একার দেখা দায়িত্ব নয়। পৌর নাগরিকদের কাজ বুঝে নিতে হবে। এটি তাদের নিজস্ব সম্পদ। যেখানে ভূল হবে তখনই জানাতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2026
Design By Raytahost