চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মফিজুর রহমান হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে উপজেলা জামায়াতে ইসলামী। সমাবেশে হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫ টার সময় জীবননগর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি জীবননগর জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এসে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তারা বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে জীবননগর উপজেলার সুটিয়া গ্রামে জামায়াত সমর্থক সোহাগের সঙ্গে হাসাদাহ এলাকার স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মেহেদির বিরোধের জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা সংঘবদ্ধ হয়ে জামায়াতের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়। এতে জামায়াতের চারজন গুরুতর আহত হন।

আহতদের মধ্যে হাফিজুর রহমানকে ঢাকায় নেওয়ার পথে সেদিন রাতেই তিনি মারা যান। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ দিন পর বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মফিজুর রহমান মঙ্গলবার দুপুর ১২ টার সময় মারা যান। সমাবেশে বক্তব্য দেন জীবননগর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা সাজেদুর রহমান, সেক্রেটারি মাহফুজ হোসেন ও নায়েবে আমির সাখাওয়াত হোসেন।
উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা সাজেদুর রহমান বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর বিভিন্ন মামলা ও দমন-পীড়নের মুখে নেতাকর্মীরা বাড়িতে থাকতে পারেননি, কিন্তু এভাবে হত্যার ঘটনা ঘটেনি। আমরা অবিলম্বে মফিজুর রহমান ও হাফিজুর রহমান হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করছি। নায়েবে আমির সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করা না হলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। প্রয়োজনে ইউএনও কার্যালয় ও থানা ঘেরাও করা হবে। সমাবেশ চলাকালে প্রায় ৩০ মিনিট জীবননগর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যান চলাচল বন্ধ থাকে। এ সময় বিক্ষোভকারীরা সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানান।
Leave a Reply