1. online@cnbtvbd.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. admin@cnbtvbd.com : admin :
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৯ অপরাহ্ন

আলমডাঙ্গা পৌরসভায় সিন্ডিকেটমুক্ত হাটের ইজারা: রাজস্ব বেড়েছে কয়েক কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৪০ বার পঠিত

দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের কবজা থেকে মুক্ত হয়ে আলমডাঙ্গা পৌরসভার হাটবাজারগুলোতে এবার উন্মুক্ত নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিগত বছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ রাজস্ব আদায় হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের মতে, কোনো প্রকার রাজনৈতিক প্রভাব ও সমঝোতা ছাড়া স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ইজারা দেওয়ায় সরকারের এই বিপুল আয় বৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে। পৌরসভা সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, গত ১৪৩৩ বঙ্গাব্দে পশুহাটের ইজারা মূল্য ছিল ২ কোটি ৫৩ লাখ ৩৫ হাজার ২০০ টাকা। এবার ১৪৩৪ বঙ্গাব্দে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৩৭ লাখ ৪০ হাজার ৫৫০ টাকায়। শুধু এই একটি খাত থেকেই রাজস্ব বেড়েছে ১ কোটি ৮৪ লাখ ৫ হাজার ৩৫০ টাকা। সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে মোটরসাইকেল হাটে। গত বছর যেখানে ইজারা ছিল ৫১ লাখ ৩৩ হাজার ৭১৪ টাকা, এবার তা একলাফে ১ কোটি ৬৬ লাখ ৫ হাজার টাকায় উন্নীত হয়েছে। একইভাবে পান হাটের ইজারা ৯ লাখ ৪৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১৮ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। অন্যান্য খাতের মধ্যে পৌর তহবাজার ৫২ লাখ থেকে বেড়ে ৬৫ লাখ টাকা, ছাগল হাট ২২ লাখ থেকে বেড়ে ২৮ লাখ টাকা এবং আনন্দধাম তহবাজার ৭৩ হাজার থেকে বেড়ে দেড় লাখ টাকায় উন্নীত হয়েছে। এছাড়া বাস টার্মিনাল, অটো-সিএনজি স্ট্যান্ড, সাইকেল হাট, জবেহখানা ও গণশৌচাগার থেকেও গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তি রাজস্ব অর্জিত হয়েছে। সচেতন মহলের মতে, স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেলের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক পান্না আক্তারের সরাসরি তত্ত্বাবধানে স্বচ্ছ নিলাম প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ায় সিন্ডিকেট প্রথা ভেঙে পড়েছে। আগে একটি নির্দিষ্ট চক্র নামমাত্র মূল্যে এসব হাটবাজার নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখত, যার ফলে সরকার বড় অঙ্কের রাজস্ব হারাত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী বলেন, “আগে প্রভাবশালী চক্রের কারণে সাধারণ দরদাতারা নিলামে অংশ নিতে পারতেন না। এবার উন্মুক্ত পরিবেশ থাকায় সবাই অংশ নিয়েছে। এতে সুস্থ প্রতিযোগিতা হয়েছে এবং পৌরসভার আয় বেড়েছে।” পৌর প্রশাসক ও ইউএনও পান্না আক্তার জানান, ইজারা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করায় এই অভাবনীয় সাফল্য এসেছে। প্রশাসনিক দৃঢ়তা ও সততার সাথে তদারকি করলে সরকারি সম্পদ থেকে সর্বোচ্চ আয় নিশ্চিত করা সম্ভব। এই বাড়তি রাজস্ব পৌরসভার উন্নয়ন ও জনসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2026
Design By Raytahost