চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ডার্ক হর্স যেন জিম্বাবুয়ে। গ্রুপ পর্বে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে আগেই চমকে দিয়েছিল দলটি। অজিদের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় করে সুপার এইট নিশ্চিত করা জিম্বাবুয়ে আজ নিজেদের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মাঠে ন্মেছিল সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। লঙ্কানদের বিপক্ষেও আজ দুর্দান্ত এক জয় পেয়েছে সিকান্দার রাজার দল। এই জয়ে শীর্ষ থেকেই সুপার এইটে যাচ্ছে দলটি। চ্যালেঞ্জিং ১৭৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে জিম্বাবুয়ে শেষ ওভারের মধ্যে চার উইকেটে জয় নিশ্চিত করে। ওপেনার ব্রায়ান বেনেট এবং তাদিওয়ানাশা মারুমানি শুরু থেকেই মারকুটে ব্যাটিংয়ে প্রথম উইকেটে ৬৯ রানের জুটি গড়ে। শ্রীলঙ্কা ৯ম ওভারে প্রথম ব্রেক থ্রু পায় দুনিথ ওয়াল্লালেগে মারুমানিকে আউট করলে, যিনি ২৬ বল খেলে ৩৪ রানের ইনিংস খেলেন, এতে ছিল পাঁচটি চার এবং এক ছয়। এরপর রায়ান বার্ল ঝটিকা ইনিংস খেলেন, ১২ বল থেকে ২৩ রান করে চাপ কমান তিনি, কিন্তু তাঁকে আউট করেন অধিনায়ক দাসুন শানাকা। অধিনায়ক সিকান্দার রাজা বেনেটের সঙ্গে ক্রিজে যোগ দেন এবং আক্রমণাত্মক ব্যাটিং চালিয়ে স্কোরবোর্ড এগোতে রাখেন, দুই ছয় মেরে শেষ পাঁচ ওভারে ৪৫ রানের সমীকরণে পৌঁছে দেন তিনি। দুই জন মিলে ৫০ রানের ঝড়ো জুটি গড়ে জিম্বাবুয়েকে এগিয়ে রাখেন, বেনেট তাঁর অর্ধশতক পূর্ণ করেন। তবে ১৯তম ওভারে দুশান হেমন্থ রাজাকে আউট করে গুরুত্বপূর্ণ জুটি ভেঙে দেন, রাজা ২৬ বল খেলে ৪৫ রান করেন, এতে ছিল দুইটি চার এবং চারটি ছয়, জিম্বাবুয়ে তখন ১৮.২ ওভারে ১৬৭-৩। একই ওভারে হেমান্থর আরও এক উইকেট শ্রীলঙ্কাকে আবার আশার আলো দেখায়। শেষ ওভারে ৮ রানের প্রয়োজন ছিল, তখন টনি মুনোয়াগা এক ছয় মেরে ম্যাচ শেষ করেন এবং বেনেট ৬৩ রানে অপরাজিত থাকেন। মুনিয়োগাও ৩ বল থেকে ৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। এর আগে ব্যাট হাতে শ্রীলঙ্কা পেয়েছিল চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ। পাথুম নিশাঙ্কা ও কুশল পেরেরার উদ্বোধনী জুটি থেকে আসে ৫৪ রান। ২২ রান করে কুশল ফিরলেও পবন রত্নায়েকে ২৫ বলে খেলেন ৪৪ রানের ইনিংস। শেষদিকে ভেল্লালেগের ৮ বলে ১৫ রানের ইনিংসে ৭ উইকেটে ১৭৮ রানের সংগ্রহ পায় লঙ্কানরা।
Leave a Reply