1. online@cnbtvbd.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. admin@cnbtvbd.com : admin :
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন

নির্বাচন ও গণভোট: সব স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৬৩ বার পঠিত
Chudanga-Cheak-post

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করেছে সরকার। এর অংশ হিসেবে সব স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনকালীন সময়ে কোনো ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি যেন দেশে প্রবেশ বা দেশত্যাগ করতে না পারে, সে লক্ষ্যেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ভোট ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং সম্ভাব্য নাশকতা ঠেকাতে সীমান্তে চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নির্বাচনের আগে ও ভোটের দিনে সীমান্তকে ‘জিরো মুভমেন্ট’ এলাকায় পরিণত করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন ভোর ৬টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি ভোর ৬টা পর্যন্ত দেশের সব স্থলবন্দরের বহির্গমন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এই সময় ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রী পারাপার বন্ধ থাকবে, তবে জরুরি কূটনৈতিক বা রাষ্ট্রীয় প্রয়োজন হলে বিশেষ অনুমতির বিধান থাকবে।

নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, নির্বাচনকালীন সময়ে সীমান্ত নিরাপত্তা রাষ্ট্রের প্রথম প্রতিরক্ষা রেখা। এ সময় সীমান্ত উন্মুক্ত থাকলে অস্ত্র, বিস্ফোরক বা সন্দেহভাজন ব্যক্তির অনুপ্রবেশের ঝুঁকি থাকে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক সহিংসতার সঙ্গে জড়িত কেউ দেশত্যাগের চেষ্টা করতে পারে। এসব ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে সীমান্তে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরাও সরকারের এই সিদ্ধান্তকে যৌক্তিক বলে মনে করছেন। তাঁদের মতে, নির্বাচনের সময় সীমান্ত বন্ধ রাখলে অনুপ্রবেশ ও পাচারের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি সহজ হয় এবং ভোটের দিন নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় চাপও কমে।

এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে মিয়ানমার সীমান্তে সংঘাতের প্রেক্ষাপটে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ও অস্ত্র পাচারের আশঙ্কা বেড়েছে। নির্বাচন সামনে রেখে এই ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে সীমান্ত বন্ধ রাখাকে সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে সরকার।

নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের সহিংসতা, নাশকতা বা বিদেশি প্রভাব ঠেকাতে সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2026
Design By Raytahost