1. online@cnbtvbd.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  2. admin@cnbtvbd.com : admin :
রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ১০:৫১ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশের ম্যাচ সরে গেলে কতটা ক্ষতি হবে ভারতের?

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১১৯ বার পঠিত

মুস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ আগেই জানিয়েছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে তারা ভারতে যাবে না। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আইসিসিকেও আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছে। এখন প্রশ্ন উঠেছে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো যদি ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় নেওয়া হয়, তাহলে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) কতটা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে?

ভারতের সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, ম্যাচ সরানো হলে ম্যাচ-ডে আয়, স্থানীয় স্পনসরশিপ এবং বিভিন্ন অ্যাক্টিভেশন থেকে আসা অর্থ কমে যেতে পারে। বিশেষ করে ক্ষতির সম্ভাবনা বেশি থাকবে দুটি বড় ভেন্যু কলকাতার ইডেন গার্ডেন্স ও মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে। আগের সূচি অনুযায়ী গ্রুপ ‘সি’-তে বাংলাদেশের ৩টি ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে (ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইতালি ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে)। আর গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ নেপালের বিপক্ষে হওয়ার কথা ছিল মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে। ইডেন গার্ডেন্সে দর্শক ধারণক্ষমতা প্রায় ৬৩ হাজার, আর ওয়াংখেড়েতে ৩৩ হাজার। চারটি ম্যাচ মিলিয়ে সর্বোচ্চ প্রায় ২ লাখ ২২ হাজার টিকিট বিক্রির সম্ভাবনা ছিল।

আইসিসির তথ্য অনুযায়ী, ভারতে ম্যাচের সর্বনিম্ন টিকিট মূল্য ১০০ রুপি। বাংলাদেশ–ইতালি ১০০ রুপি থেকে, বাংলাদেশ–ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩০০ রুপি থেকে এবং বাংলাদেশ–নেপাল (মুম্বাই) ২৫০ রুপি থেকে টিকিট মূল্য শুরু। তবে টিকিট বিক্রির পুরো আয় বিসিসিআই পায় না। টিকিটের মালিকানা থাকে আইসিসি বিজনেস করপোরেশনের (আইবিসি) হাতে। বিসিসিআইয়ের মূল আয় আসে ম্যাচ-ডে সারপ্লাস, স্থানীয় স্পনসরশিপ, ব্র্যান্ড অ্যাক্টিভেশন ও হসপিটালিটি থেকে

এই পরিস্থিতিতে তিন ধরনের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে—

ম্যাচ পুরোপুরি ভারত থেকে সরানো হলে- যদি বাংলাদেশ ম্যাচগুলো ভারতে না হয়ে শ্রীলঙ্কায় হয় এবং ভারতীয় ভেন্যুতে কোনো বিকল্প ম্যাচ না দেওয়া হয়, তাহলে বিসিসিআইয়ের সম্ভাব্য ক্ষতি হতে পারে প্রায় ৭ থেকে ৩০ কোটি রুপি। এখানে ৬০–৯০ শতাংশ দর্শক উপস্থিতি এবং গড় টিকিটমূল্য ৫০০–১,৫০০ রুপি ধরা হয়েছে।

ম্যাচ সরালেও বিকল্প ম্যাচ দেওয়া হলে- এই ক্ষেত্রে ক্ষতি অনেকটাই কমে যাবে। তবে সমস্যা হলো, ইংল্যান্ডের মতো জনপ্রিয় দলের বিকল্প ম্যাচ পাওয়া সহজ নয়।

শুধু সূচি বা ভেন্যু অদলবদল হলে- যদি আইসিসি ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে শুধু ভেন্যু বা তারিখ বদলায়, তাহলে আর্থিক ক্ষতি প্রায় নেই বললেই চলে। তখন অতিরিক্ত খরচ হবে কেবল লজিস্টিক ও নতুন পরিকল্পনার জন্য।

সবকিছুই এখন নির্ভর করছে আইসিসির সিদ্ধান্তের ওপর। ম্যাচ সরানো হবে নাকি কেবল সূচি বদলানো হবে, সেই সিদ্ধান্তই ঠিক করে দেবে ভারতের আর্থিক ক্ষতি বড় হবে, নাকি নামমাত্রই থেকে যাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর
All rights reserved © 2026
Design By Raytahost